ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হলে সিটবাণিজ্য

রুম ভাড়া দেন ছাত্রলীগ নেতা!

জালাল আহমদ, ঢাবি

জালাল আহমদ, ঢাবি

অক্টোবর ২০, ২০২৩, ১১:১৩ পিএম

রুম ভাড়া দেন ছাত্রলীগ নেতা!

হলের আবাসিক ছাত্র না হয়েও অবৈধভাবে হলে থাকেন ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলের একটি রুম গত ছয় মাস ধরে প্রকাশ্যে ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে টাকা আদায় করছেন এই ছাত্রলীগ নেতা। জানা যায়, অভিযুক্ত মাহমুদুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। তিনি হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের উপআন্তর্জাতিক-বিষয়ক সম্পাদক। এখন হল ছাত্রলীগের সভাপতি শহিদুল হক শিশির ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওয়ালী আসিফ ইনানের অনুসারী।

তার গ্রামের বাড়ি শেরপুর জেলার সদর উপজেলায়। তিনি শেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বর্তমান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির রুমানের অনুসারী ছিলেন বলে জানা গেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে নাম ও পরিচয় গোপন রেখে প্রকাশ্যে হলেরুম ভাড়া দেয়ার পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন মাহমুদ। তার এই পোস্টের সূত্র ধরে একজন উবার চালক হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলের ৫০৭ নম্বর রুমে থাকা শুরু করেন। গত ছয় মাস ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হলে ওই উবারচালককে রুম ভাড়া দিয়ে টাকা তুলছেন ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদ। 

তিনি নিজে আবাসিক ছাত্র না হয়েও অবৈধভাবে হলে থাকা এবং রুম ভাড়া দিয়ে টাকা তোলার বিষয়টি পুরো ক্যাম্পাসে ‘টক অব দ্য ক্যাম্পাস’  পরিণত হয়েছে। অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হক জানান, ‘আমার এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বন্ধু ভুল করে  আমার আইডি থেকে হলে রুম ভাড়া দেয়ার পোস্ট দিয়েছিল।’ তার আইডি তার বন্ধু কিভাবে ব্যবহার করেছে তার সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। তিনি হলের আবাসিক ছাত্র না হয়েও কিভাবে এত দিন ধরে হলে ছিলেন তার জবাব দিতে পারেননি। 

অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হকের রাজনৈতিক নেতা হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শহিদুল হক শিশির এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তারা কল রিসিভ করেননি। 

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ডক্টর মাসুদুর রহমানের দাবি, খবর পাওয়ার পরপরই ১৯ অক্টোবর দুপুরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মাহমুদ ও ভাড়াটিয়া উবারচালককে রুম থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ছাত্রের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ততার অজুহাত দেখান।
 

Link copied!