ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক ছিল পুলিশ

মো. মাসুম বিল্লাহ

মো. মাসুম বিল্লাহ

অক্টোবর ২৯, ২০২৩, ১২:২৯ এএম

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক ছিল পুলিশ

সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালিয়েছে বিএনপি
—ডিবিপ্রধান

বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে
রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে গতকাল রাজধানী ছিল বেশ উত্তপ্ত। বিএনপির সমাবেশের একপর্যায়ে কাকরাইল মোড়ে বিএনপির কর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। পরবর্তীতে দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর বিজয়নগরে পানির ট্যাংক এলাকায় পুলিশ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সেখানে দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে চেয়ার ছোড়াছুড়ি হয়। পরে পুলিশ সেখানে কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি ছিল সতর্কও। সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিএনপি কর্মীদের হামলায় এক পুলিশ সদস্য নিহত হন। এই ঘটনায় বিএনপি ও পুলিশের বহু সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, বিএনপি শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অনুমতি নিলেও প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা চালিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে তারা সংঘর্ষে জড়িয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ হাসপাতাল এবং রাষ্ট্রীয় অনেক ভবনে হামলা চালিয়েছে। পুলিশ জনগণের জানমাল রক্ষা করার জন্য পাল্টা অ্যাকশনে গিয়েছে। গতকাল বিকেল ৩টার দিকে পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। 
ডিবিপ্রধান আরও  বলেন, বিএনপি সন্ত্রাসী কায়দায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

বিএনপির ডাকা হরতাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হরতালের নামে যদি কেউ নৈরাজ্য করে তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশি বাধার মুখে বিএনপির নয়াপল্টনের মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে  যায়। ধাওয়া খেয়ে নেতাকর্মীরা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে নয়াপল্টন ও পুরানা পল্টন মোড় এবং আশপাশের অন্যান্য স্থানে বিএনপি-পুলিশ-আওয়ামী লীগ ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় বিএনপির বহু নেতাকর্মীর পাশাপাশি পুলিশ ও সাংবাদিকরা আহত হয়েছেন। পুলিশ দাবি করেছে, তাদের ৪১ জন সদস্য আহত হয়েছেন। 

অপরদিকে, বিক্ষুব্ধ বিএনপি কর্মীরা রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ বলছে, বিএনপির নেতাকর্মীরা হাসপাতালে আগুন লাগিয়েছে। এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন বলেন, রাজারবাগের পুলিশ হাসপাতালে আগুন দিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। 

উল্লেখ্য, পূর্বঘোষিত আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের মহাসমাবেশ ঘিরে রাজধানীজুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কাজ করেছিল। বিএনপির মহাসমাবেশের পাল্টা হিসেবে রাজধানীতে শান্তি সমাবেশের ডাক দেয় আওয়ামী লীগ। জামায়াত মৌখিক অনুমতি নিয়ে আরামবাগে তাদের কর্মসূচি পালন করে।
 

Link copied!