ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

চেনা বাজার রোজায় অচেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১২:২৫ এএম

চেনা বাজার রোজায় অচেনা

সেই চেনা বাজার। চেনা সব দোকানদার। কিন্তু রোজা আসায় সব যেন অচেনা! ইফতার ও সাহরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জিনিসপত্রের দামে রীতিমতো আগুন! এই বাড়তি দাম ‘জায়েজ’ করতে অন্তহীন অজুহাত। খুচরা বিক্রেতা পাইকারদের, পাইকাররা আমদানিকারকদের দায়ী করছেন।

কেউ বলছেন, নির্বাচন-পরবর্তী সরবরাহে বিঘ্ন, কেউ আবার পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াকে অজুহাত দেখাচ্ছেন। কিন্তু পণ্যের অস্বাভাবিক দামের চাপে নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তার। গতকাল রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।

রোজায় বেশ কিছু দরকারি পণ্য বিশেষ করে লেবু, বেগুন, শসা, পেঁয়াজ, খেজুর, মুরগি, মাংস ও ফলের দাম লাগামহীন বেড়েছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো পণ্যের দাম দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। রমজান সংযমের মাস হলেও বাজারের পণ্যের বাড়তি দর সাধারণ মানুষের জীবনে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য নিত্যপণ্যের এই ঊর্ধ্বগতি হয়ে উঠেছে বড় দুশ্চিন্তার কারণ।

ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ার পেছনে ‘১০১টি’ কারণ দেখালেও ভোক্তারা রমজান এলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ান বলে অভিযোগ করেছেন।

তারা মনে করেন, এর পেছনে অতি মুনাফালোভী একটি সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় রয়েছে। বাজার তদারকি জোরদার না হলে এই প্রবণতা রোধ করা কঠিন হবে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, কৃষি মার্কেট, মহাখালী কাঁচাবাজার, জোয়ারসাহারা বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারভেদে পণ্যের দামে তারতম্য থাকলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সর্বত্রই স্পষ্ট। রমজানে ইফতারে লেবুর চাহিদা বাড়ে। সেই সুযোগে লেবুর দামও চড়া।

বতর্মানে সাইজভেদে লেবু প্রতি হালি ৮০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও ১৬০ টাকাও চাওয়া হচ্ছে।

বেগুনের দামও দ্বিগুণ হয়েছে। প্রতি কেজি বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি শসা ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের কেজিও ২০০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মোহাম্মদপুরের টাউনহলের সবজি বিক্রেতা মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘আড়তেই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে, যার কারণে আমাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম এক সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে পাইকারিতে ৫৩ থেকে ৫৬ টাকা এবং খুচরায় ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডালের বাজারেও চাপ রয়েছে। ছোলার দামও কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ছোলা ৯৫ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট দানার মসুর ডাল কেজিতে ১৬০ টাকা, মোটা দানার মসুর ডাল ১০০ টাকা ও মাঝারি দানার মসুর ডাল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি ও মাংসে চাহিদার চাপ : রমজানে মুরগির চাহিদা বাড়ায় দামও বেড়েছে। সোনালি মুরগি কেজি মানভেদে ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কেজি এক হাজার ৩০০ টাকা এবং গরুর মাংস কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে চাহিদা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মুরগির দাম বেড়ে গেছে। এখন খামারি পর্যায়ে মুরগির দাম চড়া। দেশি ফলের মধ্যে কলার দাম ডজন প্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়। মাঝারি সাইজের আনারস প্রতি পিস ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিদেশি ফলের দাম আগে থেকেই চড়া ছিল। রোজাকে ঘিরে আরো বেড়েছে।

জেএইচআর

Link copied!