ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফেনীতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেতের কুটির শিল্প

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, ফেনী

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, ফেনী

জানুয়ারি ২১, ২০২৩, ০৪:২৯ পিএম

ফেনীতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেতের কুটির শিল্প

ফেনীতে গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম ভিত বাঁশ ও বেতের তৈরি ঐতিহ্যবাহী কুটির শিল্প দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে। প্লাস্টিক পণ্যের অবাধ ব্যবহার, করোনা মহামারির দীর্ঘ প্রভাব ও নানা সংকটে এ শিল্পের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারা চাপা পড়ছে।

এক সময় জেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে ঘরবাড়ি নির্মাণ, মৎস্য শিকারের সরঞ্জাম, কৃষি যন্ত্রপাতিসহ বাহারী রঙের গৃহস্থালি আসবাবপত্র তৈরিতে বাঁশ ও বেত প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা হতো। গ্রামীণ হাটবাজারে দেখা যেত বাঁশ-বেতের তৈরি জিনিষপত্র। আধুনিকতার ছোঁয়া এবং প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার বাড়ায় প্রাচীন ঐতিহ্য দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।

বক্তারমুন্সী এলাকার এক বৃদ্ধ বলেন, এক সময়ে লেমুয়া, ভোর বাজার, লস্করহাট, ধলিয়া, বক্তারমুন্সী, কাজীরহাট ও সোনাগাজীর গ্রামীণ জনপদে বাঁশ বেতের সহজলভ্যতা ছিল। এসব গ্রামে বাঁশ ঝাড় ও বেত ঝাড় ছিল চোখের পড়ার মতো। এখন আর এসব দেখা যায় না। বিলুপ্তপ্রায় বাঁশ ও বেত নামে উদ্ভিদ। স্থানীয় লোকজনের মতে- আগে গ্রামীণ নারীরা ডালা, কুলা, চেয়ার, টেবিল, বুকসেল্ফ, মোড়া, ফুলদানি, হাতপাখা, চালনী, চাটাইম ধাইজ্যা, লাই খারাং তৈরিতে ব্যস্ততম সময় পার করতো। তাদের হাতে উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করে স্বাচ্ছন্দ্যে সংসার চালাতেন।

শনিবার (২১ জানুয়ারি) জেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, যেসব দোকানে বাঁশ বেতের তৈরি জিনিষপত্র পাওয়া যেত, এখন কিছু জিনিষপত্র পাওয়া গেলেও দাম আকাশ ছোঁয়া।

জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প (নাসিব) জেলা কমিটির সভাপতি ইফতেখার রিপন জানান, আগের মতো এখন আর হাট-বাজার ও বাড়িতে বাঁশ-বেতের কদর নেই। বর্তমান মিল-কলকারখানা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যাণে আমাদের অনেক পুরনো ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তির পথে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এনামুল হক বলেন, এখন যেভাবে ঘরে ঘরে প্লাস্টিক জিনিষপত্রে ব্যবহার বাড়ছে, এতে মানুষের মধ্যে রোগবলাইয়ের ঝুঁকি বাড়বে এবং পরিবেশ দূষণের শিকার হবে।

কেএস

Link copied!