ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফেনীতে নান্দনিক শিল্পকর্মে নির্মিত জহিরিয়া মসজিদ

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, ফেনী

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, ফেনী

এপ্রিল ৮, ২০২৩, ০১:২৯ পিএম

ফেনীতে নান্দনিক শিল্পকর্মে নির্মিত জহিরিয়া মসজিদ

ফেনী শহরে নান্দনিক শিল্পকর্মে নির্মিত জহিরিয়া মসজিদ মুসল্লিদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আভিজাত্যের ছোঁয়ায় গড়া এ মসজিদে ইবাদতে মুসল্লিদের প্রশান্তি দিয়ে থাকে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এ মসজিদে ফেনীসহ দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা মুসল্লিদের মতে এটি হচ্ছে জেলার সর্বাধিক শৃঙ্খলিত মসজিদ।

শুধু নামাজ নয়, এ মসজিদে নিয়মিত চলে নূরানী মাদ্রাসা, হিফজ বিভাগ, কুরআনের তাফসীর, বয়স্ক কুরআন শিক্ষাসহ নানা কার্যক্রম। রমজানে যোগ হয় জেলার সবচেয়ে বড় গণ-ইফতার ও তারাবির নামাজ। এখানে নামাজের সময় নিরাত্তায় অন্তত ১৫ জন খাদেম নিয়োজিত থাকেন। শহরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের ডাক্তার পাড়া মোড়ে স্থাপিত এ মসজিদে প্রতি ওয়াক্তের নামাজে দুই সহস্রাধিক মুসল্লির সমাগম ঘটে।

জানা যায়, সরকারি কর্মকর্তা মরহুম জহির উদ্দিনের দান করা ভূমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় ফেনী জহিরিয়া মসজিদ। ২০০৬ সালে পুরাতন মসজিদটি ভেঙ্গে নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করে পরিচালনা কমিটি।

বর্তমানে মসজিদটির ৩য় তলা পর্যন্ত নামাজের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। ৪র্থ ও ৫ম তলার ছাদ নির্মাণ করা হয়েছে। মুসল্লিদের ইবাদতে প্রশান্তির জন্য প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে।

ঐতিহ্যের এ মসজিদটির দেওয়ালে দেয়ালে নান্দনিকতা ও আভিজাত্যের ছোঁয়ায় এটি মুসল্লিদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেছে। বিশেষ এবাদতের দিনে মসজিদটির পঞ্চম তলা পর্যন্ত হাজার হাজার মুসল্লির পদভারে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। জুমার দিনে মূল ভবনে জায়গা না পেয়ে অনেক মুসল্লি রাস্তায় নামাজ আদায় করেন।

মসজিদটির নিয়মিত মুসল্লি আতাউর রহমান বলেন, ফেনী জেলার মসজিদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ জহিরিয়া মসজিদ। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এ মসজিদ এ ইবাদত করতে মুসল্লিরা স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করেন। প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে মুসল্লিরা এখানে নামাজ আদায় করতে আসেন।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ আবুল কাশেম বলেন, ২০০৬ সালে মাত্র ৬ লাখ টাকা নিয়ে মসজিদটি পুনর্র্নিমাণ কাজ শুরু করা হয়। বিদেশী কোনো সহযোগিতা ছাড়াই এ পর্যন্ত অন্তত ৮ কোটি টাকার কাজ শেষ হয়েছে। কাজ এখনও চলমান রয়েছে। মুসল্লি ও আশপাশের মানুষের দান-অনুদানে মসজিদটি নির্মাণে সর্বধুনিক ডিজাইন কাজে লাগানো হয়েছে।

মসজিদের পাশেই বড় পরিসরে নির্মাণাধীন জহিরিয়া টাওয়ারে বড় পরিসরে মাদ্রাসা ও এতিমখানা চালু করা হবে। এছাড়াও লাইব্রেরি, ট্রেনিং সেন্টার, বয়স্ক কুরআন শিক্ষা কার্যক্রমসহ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আধুনিক ও যুগোপোযুগি কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মসজিদটির খতিব মাওলানা মুফতি ইলিয়াছ বলেন, এ মসজিদে শুধু ফেনী নয়; চট্টগ্রামের বারৈয়ারহাট, নোয়াখালীর সেনবাগ ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এলাকা থেকেও মুসল্লিরা ইবাদত করতে  আসেন। এ মসজিদে শুধু নামাজই নয়; বরং মসজিদে নববীর আদলে সকালে মক্তব, তারপর নুরানী শিক্ষা, যোহরের নামাজ শেষে পবিত্র কুরআনের তাফসীর, এশার নামাজ শেষে বয়স্কদের কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়াও হিফজ বিভাগও চলমান রয়েছে।

আরএস
 

Link copied!