ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বাজার থেকে ডেকে নিয়ে হরিণ শিকারের মামলায় আটকের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট প্রতিনিধি

এপ্রিল ২১, ২০২৪, ০৬:২৮ পিএম

বাজার থেকে ডেকে নিয়ে হরিণ শিকারের মামলায় আটকের অভিযোগ

বাগেরহাটের শরণখোলায় বাজার থেকে ডেকে নিয়ে হরিণ শিকারের মামলায় আটক জুয়েল নামের এক যুবককে জামিন দিয়েছে আদালত।

রোববার বাগেরহাট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কামরুল আজাদ ২০ হাজার টাকার বেলবন্ডে জুয়েলকে জামিন দেন।

এ সময় আদালত মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মাহাবুব হোসেনকে পরবর্তী মামলার ধার্য তারিখে সশরীরে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন।

আটক মো. জুয়েল ঢাকার ডেমরা থানার মো. জালালের ছেলে। তিনি ঈদের একদিন আগে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার খুড়িয়াখালী গ্রামে শ্বশুর বাদশা হাওলাদারের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে পূর্ব সুন্দরবনের বগি স্টেশনের চরখালি টহল ফাঁড়ি সংলগ্ন অভয়ারণ্য থেকে হরিণ শিকারের জন্য ফাঁদ পেতেছে এমন অভিযোগে আটক দেখায় বন বিভাগ।

এ সময় তার কাছ থেকে ১৫০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদও উদ্ধার করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

তবে জুয়েলের পরিবারের দাবি, বনে প্রবেশের ফি অনেক বেশি হওয়ায় জুয়েল এসিএফকে কয়েকবার ফোন দেয়। এতে তিনি বিরক্ত হয়ে বাজার থেকে তাকে ধরে নিয়ে হরিণ শিকারের মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছিল।

জুয়েলের স্ত্রী সাথি বেগম বলেন, আমার স্বামী সুন্দরবনে যায়নি। যেদিন মামলা দেয়, তার আগেরদিন বুধবার সন্ধ্যায় শরণখোলা বাজারের একটি চায়ের দোকান থেকে মো. জুয়েলকে ডেকে নিয়ে যায় সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মাহাবুব হোসেন।

জুয়েলের আইনজীবী মো. এনামুল হক বলেন, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এসিএফ জুয়েলকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন। একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি আদালতকে অবহিত করা হয়। দীর্ঘ শুনানির শেষে ২০ হাজার টাকার বেলবন্ডে জুয়েলকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দেন। এ সময় আদালত মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মাহাবুব হোসেনকে পরবর্তী মামলার ধার্য তারিখে সশরীরে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন।

তবে প্রথম থেকেই জুয়েলের পরিবারের অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করে আসছিলেন শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মাহাবুব হোসেন।

তিনি বলেছিলেন, চরখালী ক্যাম্পের বনরক্ষীরা এক শিকারিকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছে। আমাকে তারা বিষয়টি জানিয়েছে। এর বেশি কিছু আমার জানা নেই।

ইএইচ

Link copied!