ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

নবাবগঞ্জে ৬ বছরের শিশুকে হত্যার দায় স্বীকার

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি:

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি:

মে ২২, ২০২৪, ০২:৫৩ পিএম

নবাবগঞ্জে ৬ বছরের শিশুকে হত্যার দায় স্বীকার

ঢাকার নবাবগঞ্জের শোল্লা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া এলাকায় আজ (২২ মে) দুপুর ১২ টায় তরি বাড়ৈ (৬) নামে এক শিশু কন্যাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে মৃত তরির স্বজনরা জানিয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত আবু সাদ (১২) হত্যার দায় পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন।

মৃত শিশু তরি, উপজেলার দক্ষিণ শোল্লা চন্দ্রপাড়া গ্রামের  সুমন বাড়ৈ ও বকুল বাড়ৈ দম্পতির একমাত্র মেয়ে। সে স্থানীয় দূর্গা মন্দিরে স্থপতি মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশু শ্রেণিতে পড়তো। অপরদিকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ঘাতক শিশু আবু সাদ একই  গ্রামের প্রবাসী  আবু সাঈদের ছেলে। এঘটনায় আবু সাদ ও তার মা শিমু আক্তারকে গ্রেফতার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ।   লোম হর্ষক এমন ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয়রা জানায়, তরি প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার বেলা ১০ টার সময় তার নিজ বাড়ি থেকে পাশ^বর্তী মসজিদ সংলগ্ন টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে যায়। এসময় স্থানীয়  আবু সাদ(১২)  তরি বাড়ৈ এর সাথে একটি আম নিয়ে তর্ক করে। এসময় আবু সাদ তার হাতের লাঠি দিয়ে তরি বাড়ৈ এর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে।

তরির মৃত্যু নিশ্চিত হলে আবু সাদ তার মা শিমু আক্তারে সহযোগিতায় মসজিদ সংলগ্ন একটি কৃষিজমির ঝোপে মৃত তরিকে মাটি চাপা দিয়ে রাখে। বিকালে মৃত তরির মা ও তার স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর মাটি চাপা অবস্থায় তরির মৃতদেহ খুঁজে পায় ও নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তরি বাড়ৈকে মৃত ঘোষণা করেন।

সরেজমিনে কথা হয় স্থানীয় অধিবাসী দেবাশীষ চন্দের সাথে। তিনি বলেন, তরি মতো আর কারো যাতে এভাবে প্রাণ না যায়। তরি বাড়ৈকে যারা হত্যা করেছে তাদের ফাঁসির দাবি জানান তিনি।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শাহ জালাল বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুসারে আবু সাদ ও তার মা শিমু আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আবু সাদ হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে।মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।  মামলা হয়েছে থানায়

বিআরইউ

Link copied!