কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
জুন ২০, ২০২৪, ০৪:৫৫ পিএম
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের জালালপুর বাজারের বিখ্যাত মালাই চা প্রতি কাপ বিক্রি করছে ৪০ টাকা করে। এই চায়ের স্বাদ নিতে আবাল বৃদ্ধ বনিতা সকাল সন্ধ্যা গভীর রাতে দল বেঁধে আসে জালালপুর বাজারে। এই চায়ের স্বাদ অতুলনীয় বিধায় এই চা খেতে ভিড় লেগেই থাকে চায়ের স্টল গুলিতে।
ঈদ উপলক্ষ্যে এখন ভিড় আরো বেশি।চা বিক্রেতাদের দম ফেলার ফুরসত নেই। একের পর এক চা তৈরি করে ক্রেতাদের কাছে পরিবেশন করছে তারা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় চা খেতে আসা চা প্রেমীদের দীর্ঘ লাইন। কেউ জায়গা পেলে স্টলে বসছেন। আবার কেউবা স্টলের পিছনে মোড়াই বসছেন। আবার কেউ কেউ রেললাইনে বসে আছেন চায়ের অপেক্ষায়।দল বেঁধে তরুণ তরুণীরা ভিড় করেন জালালপুর বাজারের চা খেতে।এই রাস্তা দিয়ে গিয়েছেন অথচ জালালপুর বাজারের বিখ্যাত মালাই চা খান নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। এই চায়ের অতুলনীয় স্বাদের মূল রহস্য হলো এই চায়ে দুধের পাশাপাশি দুধের স্বর দেয়া হয়।যার ফলে চায়ের স্বাদ বেড়ে যায়।
এই স্বাদ নিতেই সবাই ছুটে আসে জালালপুর বাজারে চা খেতে। এখানে মালাই চায়ের পাশাপাশি লিকার ও দুধ চা ও পাওয়া যায়। তবে ঈদ উপলক্ষ্যে চায়ের দাম বেশি নেয়ার অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।ঈদের আগে দুধ চা ১৫ টাকা করে বিক্রি করলেও এখন ২০ টাকা করে বিক্রি করছে।তা ছাড়া মালাই চা ঈদের আগে ২৫-৩০ টাকা করে বিক্রি করলেও এখন ঈদ উপলক্ষ্যে ৪০ টাকা প্রতি কাপ বিক্রি করছে।এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চা খেতে আসা চা-প্রেমীরা।
সোমবার রাতে চা খেতে আসা মেহেদি হাসান সাজ্জাদ বলেন, জালালপুর বাজারের মালাই চা খেতে ভালো লাগে। তাই বন্ধুদের নিয়ে আসলাম।কিন্তু প্রতি কাপ চায়ের দাম নিলো তারা ৪০ টাকা করে। যা একটু বেশিই হয়ে গেল।
অপর এক চা খেতে আসা আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, বন্ধুদের নিয়ে চা খেতে আসলাম। জানতাম মালাই চা ২৫-৩০ টাকা করে। কিন্তু চা খাওয়ার পর বিল দিতে গেলাম বলে ৪০ টাকা করে কাপ চা। ৪০ টাকা বেশি হয়ে যায় দাম টা।
অপর আরেকজন চা খেতে আসা ইসমাইল হোসেন বলেন,জালালপুরের চা স্বাদে অন্যরকম ভালো লাগে।তাই চা খেতে আসি মাঝে মধ্যে। কিন্তু ঈদ উপলক্ষ্যে দাম বেশি নিচ্ছে তারা।
চা বিক্রেতা মামুন জানান, জিনিসপত্র সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় চায়ের দাম ও বাড়ানো হয়েছে। তা না হলে আমাদের পোষাবে না।
বিআরইউ