ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ভূঞাপুরে বাড়ছে যমুনার পানি, বন্যা ও ভাঙন আতঙ্কে চরবাসী

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

জুন ২২, ২০২৪, ০১:৫৪ পিএম

ভূঞাপুরে বাড়ছে যমুনার পানি, বন্যা ও ভাঙন আতঙ্কে চরবাসী

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনার পানি বাড়তে শুরু করেছে। আর এই পানি বৃদ্ধির কারণে যমুনা চরাঞ্চলসহ তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের মানুষের মাঝে  বিরাজ করছে নদী ভাঙন ও বন্যাতঙ্ক। ইতিমধ্যে চর ও নীচু এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।

এদিকে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে যমুনা পূর্ব পাড়ে  শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। বিগত ভাঙনের পর যেটুকু সম্বল বেঁচে ছিল, সেটিও ভাঙনের আশঙ্কায় চরম হতাশায় দিন পার করছেন নদীপাড়ের শতশত ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ। ইতোমধ্যে কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে।

শনিবার (২২ জুন) সকালে যমুনা পূর্ব পাড়ের উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের এলাকায় ঘুরে দেখা যায়- ভালকুটিয়া, চিতুলিয়া পাড়া,  কষ্টাপাড়া ও নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা, পাটিতাপাড়া, কোনাবাড়ী এলাকাসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। যমুনা ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের মানুষগুলো।

যমুনা পূর্ব পাড়ের ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের অভিযোগ করে বলেন- গেল বছর ভাঙনরোধে খানুরবাড়ী, ভালকুটিয়া,  চিতুলিয়াপাড়াসহ বিভিন্নস্থানে নামমাত্র জিও ব্যাগ ফেলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। সেগুলোও গত বছর বিভিন্ন জায়গায় ধসে গেছে। এবছর বাকি জায়গার জিও ব্যাগও ধসে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রভাব খাটিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ির সামনে জিওব্যাগ ফেলে।

তারা আরো বলেন- নদীতে ডেজার বসিয়ে বালু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে নদী থেকে বালু কেটে ট্রাকযোগে বিক্রি করে। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ করলে নদী ভাঙন অনেকটা কমে আসবে।

ভাঙন কবলিত ভালকুটিয়া ও চিতুলিয়া পাড়া মানুষের দাবি- গত বছর বন্যায় ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেলা গাইড বাঁধের জিওব্যাগ আনলোড ড্রেজারগুলোর কারণে ধসে যাচ্ছে। যার ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা ও আধাপাকা সড়ক, গাইড বাঁধ বসত-বাড়ি, মসজিদ-মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা যমুনার ভাঙনের নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। নিজেদের বসত-ভিটা রক্ষায় নদী থেকে আনলোড ডেজার ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ দাবি জানান তারা।

যমুনা পূর্ব পাড়ের ভাঙনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন দপ্তরে অবগত করাসহ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া কথা জানান ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুনুর রশীদ।

এ বিষয়ে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ভূঞাপুরে ভাঙনের বিষয়টি জানতে পেরেছি। ভাঙন এলাকাগুলোর মধ্যে গোবিন্দাসী ও নিকরাইল ইউনিয়নের জন্য একটি প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যমুনা পূর্ব পাড়ে ইকোনমিক জোনের কাজ শুরু হলে স্থায়ী বাঁধ হয়ে যাবে।

বিআরইউ

Link copied!