ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

সুখবরের নামে ‘উচ্চ শব্দে’ মাইক বাজিয়ে পণ্য প্রচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

পাবনা জেলা প্রতিনিধি:

পাবনা জেলা প্রতিনিধি:

জুলাই ৩, ২০২৪, ১২:২৩ পিএম

সুখবরের নামে ‘উচ্চ শব্দে’ মাইক বাজিয়ে পণ্য প্রচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

পাবনার শহর সহ প্রায় প্রতিটা উপজেলার মানুষের প্রতিদিন ঘুম ভাঙে বিভিন্ন পণ্য প্রচারে ব্যবহার করা মাইকের উচ্চ শব্দের আওয়াজে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মাইক বেঁধে পোলট্রি মুরগির দাম হ্রাস থেকে শুরু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রচারণা, বিশাল গরু-মহিষ জবাই, নিয়ে প্রচার চালানো হয়। কোনো নিয়মনীতি না মেনে ‘সুখবর’–এর নামে মাইকের আওয়াজে অতিষ্ঠ পাবনার বাসিন্দারা।

সচেতন নাগরিক ও শিক্ষার্থীরা এর প্রতিকার চেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ অবস্থায় মাইকিং এর বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চিকিৎসকেরা বলছেন, মানুষের শ্রবণের জন্য শব্দের ৪৫ ডেসিবেল হচ্ছে সহনীয় মাত্রা। তবে সেটা ৭০ ডেসিবেল অতিক্রম করলে তা ক্ষতিকর। পৌর শহরে যে হারে প্রতিনিয়ত মাইকিং করা হয়, এর ফলে অনেক সময় শব্দের মাত্রা ৭০ ডেসিবেলের কাছাকাছি চলে যায়। বিশেষ করে শিশুদের জন্য এটা খুবই ক্ষতিকর।

শব্দ দূষণের বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনা ডা. সিভিল সার্জন  শহীদুল্লাহ দেওয়ান উচ্চ শব্দে মাইকিং চলতে থাকলে পর্যায়ক্রমে পৌরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে শ্রবণ সমস্যায় ভুগতে হবে।

পাবনা শহরের কয়েক বাসিন্দা জানিয়েছেন, প্রতিদিন বিভিন্ন পণ্য ও সেবার সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আনাচে কানাচে মাইকিংয়ে নামে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শব্দ দূষণ করছে। এ সবের মধ্যে রয়েছে পোলট্রি মুরগির দাম হ্রাস, বিশাল গরু-মহিষ জবাই, বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রচারণা নতুন ধান, শাকসবজির বীজ, কম মূল্যে লাইট বিক্রি, ঢাকাগামী পরিবহনের স্পেশাল সার্ভিস, মোটরসাইকেলের অফার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ও কোচিংয়ের প্রচারণা। এটা চলে দিন থেকে রাত পর্যন্ত।

শহর এবং উপজেলা বাসিরা  বলছেন, এলাকায় একটি প্রচারণা আসার সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি প্রচারণা শুরু হতে থাকে। মাইকিংয়ের ক্ষেত্রে হাসপাতাল, ক্লিনিক, সরকারি অফিস, স্কুলকলেজের পরিবেশের কিছুই মানা হচ্ছে না। এতে শহরবাসীর জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

পাবনা শহরের কাপড়ের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘শহরে মাইকের শব্দে দোকানে বসে থাকাটাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। মাইকের শব্দে বেচাকেনা করাও কঠিন। কাস্টমারের কথাও ঠিক করে শুনতে পারি না।’

শিক্ষার্থী নিশান বলেন, ‘নির্দিষ্ট কোনো সময় না মেনে শহরে প্রতিদিন সুখবরের নামে উচ্চ শব্দে মাইকিং করা হয়। প্রতিদিন সুখবর, সুখবর শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। এতে আমাদের পড়াশোনায় সমস্যা হয়। প্রশাসনের এতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

বিআরইউ

 

Link copied!