ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ছেলেকে নিয়ে হাঁটতে বেরিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন বাবা

ফেনী জেলা প্রতিনিধি:

ফেনী জেলা প্রতিনিধি:

জুলাই ২৮, ২০২৪, ০১:৩৩ পিএম

ছেলেকে নিয়ে হাঁটতে বেরিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন বাবা

ছেলেকে নিয়ে হাঁটতে বেরিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন বাবা। জানা যায়, ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁনপুর গ্রামের ওছি উদ্দিন ভূঞা বাড়ির মৃত আবুল হাসেমের ছোট ছেলে আবু বকর ছিদ্দিক শিবলু গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষের সময় গত রবিবার (২১ জুলাই) আবদুল্লাহপুর রেলগেট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

৪ দিন অজ্ঞান থাকার পর অবশেষে ঢাকার আগারগাঁও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার রাত আড়াইটার দিকে মারা যান দুই সন্তানের এ জনক।

এরপর গত বৃহস্পতিবার বিকালে লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন তাঁর স্বজনরা। ওই দিন রাতেই তাকে দাফন করা হয় পারিবারিক কবরস্থানে।

তাঁর বড় ভাই আবদুল হাকিম বাবলু জানায়, ঢাকায় এলিট পেইন্টের সহকারী হিসাব রক্ষক পদে কর্মরত থাকার সুবাদে গত চার বছর ধরে  স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার রিমা ও দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে বসবাস করতেন রাজধানীর উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টর এলাকায়।

গত ১৬ জুলাই পূর্ব উত্তরা থানায় সংঘর্ষ হলেও অপরপ্রান্তে দক্ষিণখান থানা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শিবলু। উভয় থানায় শরণাপন্ন হয়েও এব্যপারে মামলা নেয়নি কোনো থানাই। এ কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দাফন করা হয় তাকে। মামলা নেই, আসামি নেই, বিচারও পাবেন না বলে হতাশা প্রকাশ করেন তাঁর স্ত্রী, বড় ভাই ও স্বজনরা।

শিবলুর স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার রিমা জানান, তাদের দুই শিশু সন্তান। একজন ফারহান ছিদ্দিক (৮) ও অপরজন নুসাইবা ছিদ্দিক (১)। ফারহান উত্তরা এলাকায় স্থানীয় একটি মাদরাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।

‘ঘটনার দিন গত ২১ জুলাই রবিবার বিকেলে ছেলে ফারহানকে নিয়ে ঘুরতে বের হন শিবলু। সেখানে আবদুল্লাহপুর রেলগেটে হাঁটাহাঁটির পর দুজনে বসা ছিলেন। তখন গোলমাল শুরু হলে বাসায় যেতে ছেলেকে নিয়ে উঠে দাঁড়ালে গুলিবিদ্ধ হয় শিবলু। আশপাশের লোকজন তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক আগারগাঁও নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে পাঠায়।

এরপর রিমার কাছ থেকে খবর পেয়ে ঢাকায় ছুটে যায় নিহতের ভাই বাবলু। ভাইকে বাঁচাতে চার ব্যাগ রক্ত দেয় তিনি। মঙ্গলবার আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় শিবলুকে। ততক্ষণে ডাক্তাররা আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। একপর্যায়ে রাত আড়াইটার দিকে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

রিমা বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর শিবলুর আর জ্ঞান ফেরেনি। এ কারণে তার কাছ থেকে কোনো কিছুই জানতে পারিনি পরিবার।

ওই দিন পূর্ব উত্তরা থানায় সংঘর্ষ হলেও অপরপ্রান্তে দক্ষিণখান থানা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয় শিবলু। উভয় থানায় শরণাপন্ন হয়েও কেউ মামলা নেয়নি। এ কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে দাফন করা হয়।

বিআরইউ

Link copied!