ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মেঘনায় অনিয়মের ১৭ লাখ টাকা আড়াল করতেই অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি

মো. সেলিম, মেঘনা (কুমিল্লা)

মো. সেলিম, মেঘনা (কুমিল্লা)

আগস্ট ২৮, ২০২৪, ০৫:০৭ পিএম

মেঘনায় অনিয়মের ১৭ লাখ টাকা আড়াল করতেই অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার মুজাফফর আলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রায় ১৭ লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এর জেরে গত মঙ্গলবার তার পদত্যাগ দাবিতে কলেজে হচ্ছে না নিয়মিত কোনো ক্লাস।

অনুসন্ধানে জানা যায়, নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতেই অধ্যক্ষ খন্দকার মুহাম্মদ আব্দুর রউফের পদত্যাগ চায় একটি মহল। কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ছিলেন আ.লীগ উপকমিটির সহসম্পাদক ফারাহ দীবা দীপ্তি। ওই সময় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, মাঠ ভরাট, সভাপতির গাড়ি ভাড়া বাবদ ব্যয় দেখানো হয়েছে আট লাখ ২৪ হাজার ১৫৮ টাকা; মাঠ বরাট বাবদ ছয় লাখ ৪৮ হাজার ৭০০, ম্যুরাল তৈরি বাবদ এক লাখ ৭৬ হাজার ৫০০, তৎকালীন গভর্নিং বডির সভাপতির গাড়ি ভাড়া বাবদ ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৪ হাজার ৫০০ টাকা; সর্বমোট ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৮৫৮ টাকা। এসব খরচের বিষয়ে রেজুলেশনের মাধ্যমে দরপত্র আহ্বানের কথা থাকলেও তা করা হয়নি।

জানা যায়, তৎকালীন সভাপতি ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানে নানা অনিয়ম দেখিয়ে অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের আপিল অ্যান্ড আরবিট্রেশন শাখায় আপিল করলে তদন্তপূর্বক প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যক্ষ খন্দকার মুহাম্মদ আব্দুর রউফকে ২০২১ সালের ২৩ জুন পুনর্বহালের আদেশ দিলে ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি তাকে পুনর্বহাল করা হয়।

অধ্যক্ষ হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পালনকালে ২০২১ সালের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ফারাহ দীবাসহ অন্যান্য সদস্যের বিরুদ্ধে অবকাঠামো উন্নয়নসহ ব্যয় করা টাকার বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে কমিটি অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পায়। পরবর্তীতে সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুর্নীতি দমন কমিশন কুমিল্লা বরাবর অধ্যক্ষ বাদী হয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বিষয়টি নিয়ে সাবেক গভর্নিং বডির সভাপতি ফারাহ দীবা দীপ্তির সঙ্গে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ খন্দকার মুহাম্মদ আব্দুর রউফের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, অভিযুক্তরা মোজাফফর আলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের কিছু শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদে তাদের অনিয়ম-দুর্নীতিকে আড়াল করার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। ফারাহ দীবা দীপ্তি কমিটির দুষ্ট চক্রটিই আন্দোলনের নেপথ্যে কাজ করছে। এ বিষয়ে আমি মেঘনা উপজেলার নির্বাহী অফিসারকে  অবহিত করেছি।

এই বিষয়ে মেঘনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মুজাফফর আলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি রেনু দাস দৈনিক আমার সংবাদকে বলেন, বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঈমাম/ইএইচ

Link copied!