কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:
ডিসেম্বর ১৪, ২০২৪, ০৬:০৩ পিএম
যারা ইসলামী রাজনীতি উৎখাত করতে গিয়ে, জামায়াততে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করতে গিয়ে,ছাত্র শিবিরকে রুখে দিতে গিয়ে যারা অসংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করেছিল,মাত্র চার দিনের ব্যবধানে শুধু তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়নি গোটা বাংলাদেশ থেকে তাদের রাজনীতির কবর রচনা হয়েছে। তাই দেশবাসী এবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শাসন দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ইয়াছিন আরাফাত।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে নোয়াখালীর বসুরহাটে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত সাত ছাত্রশিবির কর্মীকে খুনের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ডানহাত হিসেবে পরিচিত ওবায়দুল কাদের সারা বাংলাদেশের সকল হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ছিল। তার নামের আগে একটি পাখির নাম উচ্চারণ করা হয়। ওই নাম নিয়ে আমি পাখির অসম্মান করতে চাই না। শুধু দাবি করবো, ওবায়দুল কাদেরকে অবিলম্বে দেশে এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে হত্যার বদলা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর বসুরহাটে শিবিরের মিছিলে পুলিশ ও কাদের মির্জার ক্যাডাররা পাখির মতো গুলি করে সাত কর্মীকে হত্যা করেছে। সেদিন তাদের জানাজাও ঠিকমতো পড়তে দেয়নি তারা। আমরা সেই মামলার প্রধান আসামি কাদের মির্জাসহ সকল আসামির ফাঁসির দাবি করছি।
সমাবেশে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান মেহমান হিসেবে ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর মো. ইসহাক খন্দকার।
এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নিজাম উদ্দিন ফারুক, সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নেতা আলমগীর মো. ইউসূফ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আলম সিকদার, সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন, বসুরহাট পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসাইন প্রমুখ।
এর আগে সমাবেশে কোম্পানীগঞ্জে সাত খুনের পটভূমি নিয়ে রচিত `রক্তাক্ত জনপদ` বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা। বইটির সম্পাদনা করেছেন নোয়াখালী জেলা ইসলামী ছাত্র শিবির দক্ষিণ শাখার সেক্রেটারি হাফেজ সাইফুর রশিদ।
বিআরইউ