ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নয়, তদারকিতে ওষুধ প্রতিনিধিরা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

মে ২৭, ২০২৫, ০৫:৪৩ পিএম

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নয়, তদারকিতে ওষুধ প্রতিনিধিরা

রাজবাড়ী জেলা সদরের ১০০ শয্যার আধুনিক সদর হাসপাতালটি আড়াইশ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা বহুদিন ধরে ঝুলে থাকলেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। তার চেয়েও বড় সংকট—প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল। জরুরি বিভাগে একসময় যেখানে দায়িত্বে থাকতেন একজন মেডিকেল অফিসার, সেখানে এখন রোগীদের সেবা দেওয়ার ‘তদারকির’ দায়িত্বে দেখা যাচ্ছে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের (রিপ্রেজেন্টেটিভ)।

স্থানীয়রা বলছেন, হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে রোগীরা বাধ্য হয়ে ছুটছেন পাশের বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে, যেগুলোর অনেকগুলোই পরিচালিত হচ্ছে সরকারি চিকিৎসকদের মালিকানায়। অভিযোগ উঠেছে, কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে এসব ক্লিনিকেই বেশি সময় দিচ্ছেন সরকারি দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকেরা।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাম্প্রতিক এক অভিযানে এই হাসপাতালের একাধিক অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। অভিযানে দেখা যায়, অনেক চিকিৎসক কর্মস্থলে অনুপস্থিত, বহির্বিভাগে রোগীদের তদারক করছেন অদক্ষ ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা, আর হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. জিয়াউল আহসান গত ২০ মে এক অফিস আদেশে ফারিয়া (ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাসোসিয়েশন) রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতি ও সম্পাদককে জানিয়ে নির্দেশ দিয়েছেন—‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জেলা সদর হাসপাতালে কোনো ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধির প্রফেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে।’

এ বিষয়ে ডা. জিয়াউল আহসান বলেন, ‘রোগীসেবার ক্ষেত্রে প্রতিনিধিদের অতিসক্রিয়তা এবং হাসপাতালের পরিবেশে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

এদিকে সাধারণ রোগী ও অভিভাবকরা বলছেন, সরকারি হাসপাতালে সেবা পেতে এসে তারা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। একজন অভিভাবক বলেন, ‘ডাক্তার মেলে না, দালাল আর রিপ্রেজেন্টেটিভরাই রোগী দেখে। এত আধুনিক হাসপাতাল, অথচ সেবা শুন্য।’

নির্বাচনী এলাকার জনপ্রতিনিধি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদারকি সংস্থাগুলোর হস্তক্ষেপ ছাড়া এ সংকট থেকে মুক্তি মিলবে না বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

বিআরইউ

Link copied!