ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

কুড়িগ্রামে নাবালিকা অপহরণ মামলায় একজনের ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড 

সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম

সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম

অক্টোবর ৮, ২০২৫, ০৩:০২ পিএম

কুড়িগ্রামে নাবালিকা অপহরণ মামলায় একজনের ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড 

কুড়িগ্রামে এক নাবালিকাকে অপহরণ মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৭ ধারার অভিযুক্ত আসামি ছানোয়ারুল ইসলাম ছানারুলকে নারী ও শিশু মামলা নং- ১৪৯/২০১৭ ইং মামলায় ১৪(চৌদ্দ) বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন কুড়িগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত। একই সঙ্গে ২০(বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরোও ৬(ছয়) মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। 

সোমবার দুপুরে এ মামলার রায় ঘোষণা দেন কুড়িগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) রিপতি কুমার বিশ্বাস। এসময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ছানোয়ারুল ইসলাম (ছানারুল) কুড়িগ্রাম উলিপুর উপজেলার নারকেল বাড়ী উত্তর পাড়ার মো. ছাদেক আলী ছাদেক) এর ছেলে।

মামলা এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামি ছানোয়ারুল ইসলাম (ছানারুল) কুড়িগ্রাম এক এসএসসি সমাপনী শিক্ষার্থীর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে নাবালিকা শিক্ষার্থীকে রাজারহাট থানাধীন সিংগের ডাবরী বাজারসহ অটোস্ট্যান্ড থেকে ১৪ এপ্রিল ২০১৭ তারিখ দুপুর অনুমান সাড়ে ১২টায় ভিকটিমকে বিয়ের কথা বলে ফুসলায়ে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার পর মিরের বাড়ী এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর উক্ত এলাকার লোকজন আসামীকে আটক করেন ও ভিকটিমকে উদ্ধার করেন।

এ ঘটনায় ভিকটিমের মা মোছা. মমতা বেগম বাদী হয়ে ২০১৭ সালে ১৪ এপ্রিল রাজারহাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। রাজারহাট থানার মামলা নং-০৬, তারিখ- ১৭.০৪.২০১৭ ইং এবং জি, আর - ৫০/২০১৭( রাজা :)।

ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মিজানুর রহমান সরকার বলেন, আসামি ছানোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৭ ধারায় আসামিকে ১৪(চৌদ্দ) বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সঙ্গে ২০(বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬(ছয়) মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত।

জেএইচআর

Link copied!