ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ইউপি চেয়ারম্যানের দাপ্তরিক কাজ চলে রাতের স্বাক্ষরে

মো. এমরান হোসেন রাজন, চাঁদপুর

মো. এমরান হোসেন রাজন, চাঁদপুর

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম

ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ইউপি চেয়ারম্যানের দাপ্তরিক কাজ চলে রাতের স্বাক্ষরে

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার আলগী দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে থাকলেও গোপনে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে না পারলেও রাতের আঁধারে পরিষদের নথিপত্রে তার স্বাক্ষর নেওয়ার কাজ ঠিকই চলছে।

অভিযোগ উঠেছে, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলামসহ একটি চক্র এই কাজে চেয়ারম্যানকে সহায়তা করছে। আতিকুর রহমান হাইমচর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তার বিতর্কিত ভূমিকার কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা তার ওপর চরম ক্ষুব্ধ।

সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা গেছে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম অসুস্থতার অজুহাতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। তার পরিবর্তে জন্ম সনদে স্বাক্ষর করছেন হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর। 

স্থানীয়দের দাবি, চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের জন্য গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে রাতের অন্ধকারে নথিপত্র তার গোপন অবস্থানে পাঠানো হয়। এভাবে চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে সেবা নিতে এসে চরম বিড়ম্বনায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে চেয়ারম্যানকে পরিষদে দেখা যায় না। 

ঢাকা থেকে আসা কামরুন নাহার ও বিউটি আক্তার নামের দুই নারী জানান, জন্ম সনদ নিতে এসে তারা চেয়ারম্যান বা প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাউকেই পাননি।

এ বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, “চেয়ারম্যান মাঝে মাঝে অফিসে আসেন।” তবে সর্বশেষ কবে এসেছেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। 

তিনি ছুটিতে আছেন দাবি করলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, আজহার কোনো ছুটি নেননি।

হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হোসেন বলেন, “আমি এক মাস আগে যোগ দিয়েছি। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য দুবার বাড়িতে অভিযান চালানো হলেও পাওয়া যায়নি। পুলিশের অভিযান শুরুর আগেই একটি চক্র তাকে খবর দিয়ে দেয়, ফলে তিনি পালিয়ে যান।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় বলেন, “আমি এ উপজেলায় ছয় মাস আগে এসেছি। চেয়ারম্যান আত্মগোপনে আছেন কি না, বিষয়টি আগে অবগত ছিলাম না। এখন যেহেতু জেনেছি, অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” 

তবে স্থানীয়দের দাবি, গত সেপ্টেম্বর মাসেই বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছিল, কিন্তু চার মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ইএইচ

Link copied!