আলী হাসান, জয়পুরহাট
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম
উৎসবমুখর পরিবেশে জয়পুরহাটের দুটি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ চলছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভোটারদের সরব উপস্থিতির কারণে ভোটের হারে বেশ গতি লক্ষ্য করা গেছে। কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের লাইন দীর্ঘ হলেও পরিবেশ এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আল-মামুন মিয়া জানান যে দুপুর ৩টা পর্যন্ত জেলার দুটি আসনে গড়ে ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে জয়পুরহাট-১ আসনে ৬২ শতাংশ এবং জয়পুরহাট-২ আসনে ৫৮ শতাংশ ভোট সংগৃহীত হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
সরেজমিনে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে যে সকাল সাড়ে ৭টা থেকেই ভোটারদের সরব উপস্থিতি ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় আরও বাড়ে এবং বিশেষ করে নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের কেন্দ্রগুলোতে ভোট পড়ার হার কিছুটা বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
ভোটার হোসাইন আহম্মেদ সুমন জানান যে তিনি কোনো ঝামেলা ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিয়েছেন। তরুণ ভোটার মোছা. খালেদা আক্তার বলেন যে কেন্দ্রের পরিবেশ খুবই ভালো। তিনি সিরিয়াল নম্বর নিয়ে লাইন ধরে ভোট দিয়েছেন এবং সেখানে নারী ভোটারদের উপস্থিতিই বেশি ছিল।
এবারের নির্বাচনে জয়পুরহাটের দুটি আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির মাসুদ রানা প্রধান, জামায়াতে ইসলামীর ফজলুর রহমান সাঈদ, সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) তৌফিকা দেওয়ান, বাসদের ওয়াজেদ পারভেজ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
অন্যদিকে জয়পুরহাট-২ আসনে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন ৩ জন প্রার্থী। এখানে বিএনপির আব্দুল বারী, জামায়াতে ইসলামীর এস এম রাশেদুল আলম এবং এবি পার্টির এস এ জাহিদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুটি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৮ লাখ ১৭ হাজার ৮৪৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪ লাখ ৬ হাজার ১৬০ জন এবং নারী ৪ লাখ ১১ হাজার ৬৭৬ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ১০ জন এবং ডাকযোগে বা প্রবাসী ভোটার রয়েছেন ৭ হাজার ৪৮৬ জন।
জেএইচআর