ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মধুপুর বনে লেক খনন নিয়ে বন বিভাগ ও গারো সম্প্রদায়ের বিরোধ

আ. হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল)

আ. হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল)

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম

মধুপুর বনে লেক খনন নিয়ে বন বিভাগ ও গারো সম্প্রদায়ের বিরোধ

টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের গড়গড়িয়া এলাকায় লেক খনন নিয়ে বন বিভাগ ও গারো সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। লেক খনন বন্ধের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার 'সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্র জনতা'র ব্যানারে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গারোদের প্রথাগত মালিকানাধীন জমিতে লেক খনন ও মাটি ভরাটের অভিযোগ আনা হয়।

বন বিভাগ জানায়, খরা মোকাবিলা এবং বন্যপ্রাণীর পানীয় জলের সমস্যা নিরসনে সংরক্ষিত বনেই এই লেক খনন করা হচ্ছে। লহুরিয়া বিটের গভীর জঙ্গলের এই প্রকল্পটি ‘মধুপুর শালবন পুনরুদ্ধার কার্যক্রম’-এর আওতায় ১ হাজার ১৬৫ ফিট বর্ধিত করা হচ্ছে। বন কর্মকর্তাদের দাবি, খননকৃত এলাকাটি সম্পূর্ণ সংরক্ষিত বন এবং এর আশপাশে কোনো জনবসতি নেই।

জাউসের ফরেস্ট রেঞ্জার মোশারফ হোসেন বলেন, শুষ্ক মৌসুমে বনাঞ্চলের জলাশয়গুলো শুকিয়ে যাওয়ায় বন্যপ্রাণীরা পানির সন্ধানে লোকালয়ে গিয়ে প্রাণনাশের শিকার হয়। প্রাণিকূলের পানির সহজলভ্যতার জন্যই এই লেক সম্প্রসারণ হচ্ছে। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল প্রথাগত ভূমির দাবি তুলে সরকারি কাজে বাধা ও গুজব ছড়াচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সামাজিক বনায়নের সহব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোত্তালেব হোসেন জানান, লেক খনন উদ্বোধনের সময় গারো নেতারা উপস্থিত ছিলেন। যেখানে খনন হচ্ছে সেখানে কারো ব্যক্তিগত জমি বা ঘরবাড়ি নেই। মধুপুর বনাঞ্চলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেব বলেন, লেক ছাড়াও বনের ১০টি পুকুর সংস্কার করা হচ্ছে। এতে বনবাসী ও বন্যপ্রাণীদের দীর্ঘদিনের পানি সংকট দূর হবে।

অন্যদিকে গারো ছাত্র সংগঠনের সম্পাদক অলিক মৃ এবং আদিবাসী ফোরামের নেতা উজ্জ্বল আজিম এক বক্তব্যে জানান, গড়গড়িয়া লেক ও এর আশপাশের ভূমি গারোদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। সেখানে তাদের প্রথাগত ভূমি অধিকার রয়েছে। তাই এই লেক সম্প্রসারণকে তারা অবৈধ মনে করছেন এবং এর আগেও বন বিভাগ তাদের আবাদী জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছিল বলে দাবি করেন।

টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহাম্মদ মোহসিন বলেন, সংরক্ষিত বনে কারো কোনো প্রথাগত ভূমি অধিকার থাকে না। গারোদের জমিতে লেক খনন হচ্ছে না। মূলত স্বার্থান্বেষী মহলের ইঙ্গিতে কিছু যুবক বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা ছড়াচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জেএইচআর

Link copied!