ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা নিয়ে জামায়াত-বিএনপির মারামারি

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ২৬, ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা নিয়ে জামায়াত-বিএনপির মারামারি

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফায় হাতাহাতির ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সদরের পাবলিক মাঠে এ ঘটনা ঘটে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানে আলোচনা সভা ও কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৮টার দিকে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই অতিথিদের জন্য সংরক্ষিত সামনের সারির আসনে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. ইসহাক মিয়া, সেক্রেটারি জেনারেল মো. খালিদুর রহমানসহ কয়েকজন নেতাকর্মী বসেন। এ সময় সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল আলম তালুকদারের নেতৃত্বে বিএনপির ৪০-৫০ জন নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন। পরে তিনি ও তার স্ত্রী সালমা আলম সামনের সারির আসনে বসেন।

কিন্তু সামনের সারিতে পর্যাপ্ত চেয়ার না থাকায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী বসতে পারেননি। এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদ সামনের সারিতে বসা জামায়াত নেতা ও স্থানীয় সংসদ প্রতিনিধি মুজাহিদুল ইসলামকে চেয়ার ছাড়তে বলেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম দফায় হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাউফল থানার পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু হস্তক্ষেপ করেন। এতে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়। 

তবে কিছুক্ষণ পরই দ্বিতীয় দফায় আবার উত্তেজনা দেখা দেয়। ছাত্রদল নেতা ফাহাদ জামায়াতকর্মী অহিদুজ্জামানের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে ফাহাদ ও তার সমর্থকরা অহিদুজ্জামানকে মারধর করলে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীদের অসৌজন্যমূলক আচরণের বিশৃঙ্খলা হয়েছে। তবে হাতাহাতি বা মারামারির ঘটনা ঘটেনি। 

জামায়াত নেতা মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রশাসনের নির্ধারিত আসনে বসেছিলাম। কিন্তু বিএনপির সাবেক এমপির সমর্থকরা এসে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সালেহ আহমেদ পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অনুষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি জাতীয় অনুষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।

এএন

Link copied!