আশরাফ গোলাপ, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা)
এপ্রিল ১০, ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের পাঁচহার গ্রামের যুবক সুমন মিয়ার (৩০) মরদেহ নিখোঁজের তিন দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে টঙ্গীর আব্দুল্লাহপুর সংলগ্ন একটি বালুর মাঠে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। নিহত সুমন ওই গ্রামের সুনু বেপারীর ছেলে এবং টঙ্গীর পাগাড় ঝিনু মার্কেট এলাকার একটি পোশাক কারখানায় কোয়ালিটি সেকশনে কর্মরত ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে সুমন নিখোঁজ ছিলেন। আত্মীয়স্বজনরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে কোনো সন্ধান না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। উদ্ধারকৃত মরদেহের গলায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যার পর নির্জন স্থানে মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছে।
নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সারোয়ার জাহান কাওসার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সুমন তাঁর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি টঙ্গীতেই বিয়ে করেছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে সুমনের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হাত থাকতে পারে। তিনি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী মাকসুদ জানান, সুমনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে। যেহেতু ঘটনাস্থল ঢাকার টঙ্গী এলাকায়, তাই সংশ্লিষ্ট থানা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করবে। এদিকে সুমনের মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে। এলাকাবাসী দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
জেএইচআর