ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মার তীব্র ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

সাজ্জাদ হোসেন, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)

সাজ্জাদ হোসেন, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)

জুন ১৫, ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মার তীব্র ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন জনমনে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে দৌলতদিয়া ১, ২ ও ৩ নম্বর ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় ভাঙন দেখা দেওয়ায় নদী তীরবর্তী বসতবাড়ি, স্থাপনা এবং স্থানীয় জনজীবন হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙনের কারণে নদীপাড়ের বাসিন্দারা চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন গুনছেন।

সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দৌলতদিয়া ১, ২ ও ৩ নম্বর ফেরিঘাটের বিভিন্ন অংশে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে পাড়ের মাটি। এতে নদীর কাছাকাছি বসবাসকারী পরিবারগুলোর চাষের জমি নদীতে বিলীন হচ্ছে, সেইসাথে তারা নিজেদের ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. মমিন মণ্ডল বলেন, আমাদের বাড়ি নদীর খুব কাছেই। রাতে ঘুমাতে গেলেও ভয় লাগে, এই বুঝি ঘর নদীতে চলে গেল। সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। দ্রুত নদীশাসনের ব্যবস্থা করে আমাদের বসতবাড়ি রক্ষা করা হোক।

নদীর কিনারায় বসবাসরত বেশ কয়েকজন বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, কয়েক দফা ভাঙনের কারণে আগেই তাঁরা অনেক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এখন আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাবে।

দৌলতদিয়া ঘাট শাখার বিআইডব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙনপ্রবণ এলাকা। বর্তমানে ৩ নম্বর ফেরিঘাটের পেছন দিকেও ভাঙন শুরু হয়েছে। বিষয়টি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসকও ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশা করছি। তবে বর্তমানে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাশ বলেন, নদীভাঙনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

স্থানীয়দের দাবি, দৌলতদিয়া এলাকার নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে ফেরিঘাট, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং শত শত পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। তাই দ্রুত নদীশাসন ও তীররক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর হস্তক্ষেপ জরুরি।

জেএইচআর

Link copied!