ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

শিবির নেতা জিসানের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় মেডিকেল বোর্ড গঠন

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ১৫, ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম

শিবির নেতা জিসানের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় মেডিকেল বোর্ড গঠন

নারীকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রশিবিরের সদ্য বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া বর্তমানে পুলিশি পাহারায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গ্রেপ্তারের দুইদিন পরও তাকে আদালতে সোপর্দ করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জিসানকে সুস্থ পাওয়া গেলেও হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র না পাওয়ায় তাকে আদালতে হাজির করা যাচ্ছে না।

এ পরিস্থিতিতে জিসানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিতর্ক এড়াতে রোববার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চার সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমেক হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. শাহজাহান।

তিনি জানান, জিসানের স্বাস্থ্যগত অবস্থা মূল্যায়ন করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. হেলালুর রহমানকে প্রধান করে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন নিউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল্লা আল হাসান, সাইকিয়াট্রি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. শাহেদুল ইসলাম এবং অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান মজুমদার।

মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জিসানের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি সুস্থ প্রমাণিত হলে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হওয়া এক নারীর সঙ্গে জিসানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর তাকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করা হয়। পরে বিয়ের চাপ দিলে ১২ জুন বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ১১ জুন রাতেই জিসান আত্মগোপনে চলে যান। গত শুক্রবার রাতে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দাবি, হাসপাতালে নেওয়ার পর প্রথমদিকে জিসান স্বাভাবিকভাবে কথা বললেও ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়টি জানার পর থেকে তিনি চোখ খুলছেন না এবং অসংলগ্ন আচরণ করছেন।

এম জি
 

Link copied!