ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
পার্বত্য সচিব 

পার্বত্যের উৎসব বাংলাদেশের অনন্য সাংস্কৃতিক ভিত্তি

জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি

জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি

জুন ১৮, ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম

পার্বত্যের উৎসব বাংলাদেশের অনন্য সাংস্কৃতিক ভিত্তি

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উৎসবগুলো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐতিহাসিক ভিত্তি ও মর্যাদাকে সমৃদ্ধ করে-এমন মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মিজানুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে ঢাকা সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বর্ষবিদায়, চৈত্রসংক্রান্তি ও বর্ষবরণ উৎসবকে স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভাটি সরাসরি ও অনলাইনে (জুম প্ল্যাটফর্মে) অনুষ্ঠিত হয়।

সচিব মো. মিজানুর রহমান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের এসব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে। এসব উৎসব শুধু পার্বত্য অঞ্চলের নয়, বরং বাংলাদেশের সব জনগোষ্ঠীরই সাংস্কৃতিক সম্পদ।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সংস্কৃতির প্রাণচাঞ্চল্য আগের তুলনায় কিছুটা কমে গেছে। এসব উৎসব সম্পর্কে সবাইকে জানাতে ও অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। তবে যেহেতু এগুলো পার্বত্য অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী উৎসব, তাই এর মূল আয়োজন পার্বত্য এলাকাতেই হওয়া অধিকতর যুক্তিসঙ্গত।

তিনি উল্লেখ করেন, এসব উৎসবকে জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত করতে শুধু একটি সেমিনার যথেষ্ট নয়; তিন পার্বত্য জেলায় আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ সেমিনার আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম। প্রবন্ধে বলা হয়, বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু হলো প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা, সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশা।

প্রবন্ধে আরও বলা হয়, সাংস্কৃতিক একরূপতা নয়, বরং বৈচিত্র্যের স্বীকৃতির মাধ্যমেই জাতীয় সংহতি শক্তিশালী হয়। এসব উৎসবকে জাতীয় সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা, শিক্ষা ও গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, গণমাধ্যমে প্রচার এবং সাংস্কৃতিক পর্যটনের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার কৌশল তুলে ধরা হয়।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এই উৎসবগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সাংস্কৃতিক পরিচয় আরও স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সংস্কৃতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অনলাইনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, পার্বত্য জেলা পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন।

এম জি
 

Link copied!