ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

গাংনীতে স্কুল ফিডিংয়ে পচা ডিম ও ছত্রাকযুক্ত পাউরুটি সরবরাহ, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিশুরা

মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুর প্রতিনিধি

জুলাই ১, ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম

গাংনীতে স্কুল ফিডিংয়ে পচা ডিম ও ছত্রাকযুক্ত পাউরুটি সরবরাহ, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিশুরা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় সরবরাহ করা খাবারে চরম অনিয়ম ও গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। পুষ্টিকর খাবারের নামে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে পচা ডিম, নিম্নমানের কলা ও ছত্রাকযুক্ত পাউরুটি। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সুশীলন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এসব নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাংনী উপজেলার ১৬২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ হাজার ৩৪৭ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাড়াতে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় নিয়মিত পাউরুটি, কলা, ডিম, দুধ ও বিস্কুট সরবরাহ করা হয়। শুরুতে খাবারের মান ভালো থাকলেও বর্তমানে তা অত্যন্ত নিম্নমানের। 

বুধবার সরেজমিনে গাংনীর বাঁশবাড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সরবরাহকৃত ডিমের মধ্যে অন্তত ৩০টি ডিম সম্পূর্ণ পচা এবং পাউরুটিতে স্পষ্ট ছত্রাকের আস্তরণ।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, প্রায় প্রতিদিনই এ ধরনের পচা ও বাসি খাবার সরবরাহ করা হয়ে থাকে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানিয়া খাতুন জানায়, তাকে দেওয়া ডিমটি থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধযুক্ত পানি বের হওয়ায় সে সেটি ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছে। চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী রুবেল ও শাকিল জানায়, ডিমের কুসুমের জায়গায় শুধু কালো পানি ও দুর্গন্ধময় আবরণ ছিল। এর আগেও এই প্রকল্পের দুধ খেয়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছিল বলে জানায় তারা।

এ বিষয়ে বাঁশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রায় দিনই পচা ডিম ও নিম্নমানের কলা-পাউরুটি দেওয়া হয়। একাধিকবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে মৌখিকভাবে জানানোর পরও কোনো সমাধান মেলেনি। এই নিম্নমানের খাবার খেয়ে শিশুরা প্রায়ই পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে।

তবে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘সুশীলন’-এর এরিয়া ম্যানেজার সুমন ডিম পচা থাকার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পচা ডিমগুলো পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। তবে পাউরুটিতে ছত্রাক থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি উল্টো শিক্ষকদের ওপর দায় চাপান। তাঁর দাবি, অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের খাবার শিক্ষকরা রেখে দিয়ে পরে সরবরাহ করায় খাবারের মান নষ্ট হতে পারে।

এ প্রসঙ্গে মেহেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুকুমার মৈত্র জানান, বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত কেউ তাঁর কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ করেনি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেএইচআর

Link copied!