ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণে ডুবছে লামা, বিভিন্ন জায়গায় পাহাড়ধস

লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি

লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি

জুলাই ৯, ২০২৬, ১০:৪৩ এএম

টানা ভারী বর্ষণে ডুবছে লামা, বিভিন্ন জায়গায় পাহাড়ধস

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি ঘটছে। উপজেলার পৌর শহরের বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ফলে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।

এদিকে, অবিরাম বর্ষণের কারণে উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী পরিবারগুলোর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নতুন করে আরও পাহাড়ধসের আশঙ্কায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় লামা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৌর শহরের ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষকে প্রয়োজনীয় মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান না করার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

জানা যায়, টানা বৃষ্টিতে অনেক সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। নিচু এলাকা ও নদী-খালের আশপাশে বসবাসকারী মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক সরেজমিনে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

দুর্যোগ প্রতিরোধে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে না এলে এবং ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এএন

Link copied!