ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

৪৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক পদের পরীক্ষার ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ৯, ২০২৬, ১১:২৯ এএম

৪৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক পদের পরীক্ষার ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৬ হাজার ১৯৯ পরীক্ষার্থীর ফল মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে এ সংক্রান্ত মামলার ১৫১ জন রিট আবেদনকারীকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।

রায় ঘোষণার পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, ২০২৩ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তৎকালীন কোটা পদ্ধতির ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়েছিল। সে সময় মোট ৮৪ শতাংশ কোটা অনুসরণ করে ফল প্রকাশ করা হয়। পরে ১৫১ জন প্রার্থী হাইকোর্টে রিট করে দাবি করেন, জুলাই বিপ্লবের পর সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই আগের কোটা অনুসারে প্রকাশিত ফল আইনসম্মত নয়। সেই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অবৈধ ঘোষণা করে রিটকারীদের নিয়োগ দিতে নির্দেশ দেন। সরকারের করা আপিলের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ চূড়ান্ত রায় দেন।

রায়ে প্রথম নির্দেশনা হিসেবে আদালত বলেছেন, ১৫১ জন রিট আবেদনকারীকে ৬০ দিনের মধ্যে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে হবে। দ্বিতীয় নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ওই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৬ হাজার ১৯৯ পরীক্ষার্থীর ফল সুপ্রিম কোর্টের কোটা বাতিল-সংক্রান্ত পূর্ববর্তী রায়ের আলোকে পুনরায় প্রকাশ করতে হবে। অর্থাৎ, বিদ্যমান কোটা নয়, মেধাভিত্তিক নীতিমালা অনুসারে ফল পুনর্মূল্যায়ন করে প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া আপিল বিভাগ তৃতীয় নির্দেশনায় উল্লেখ করেছেন, মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় নিয়োগ পাওয়া ৬ হাজার ৫৩১ জন সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ ন্যায়বিচারের স্বার্থে বহাল থাকবে। ফলে তাদের নিয়োগে কোনো প্রভাব পড়বে না।

আইনজীবী তাজুল ইসলাম বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে আগের কোটা-ভিত্তিক নিয়োগ পদ্ধতির পরিবর্তে মেধাভিত্তিক নিয়োগের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পুনরায় কার্যকর হলো।

এএন

Link copied!