ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২৬

উত্তরবঙ্গের কৃষি খাতের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল, ৯% সুদে ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ৬, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

উত্তরবঙ্গের কৃষি খাতের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল, ৯% সুদে ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

দেশের উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই বিশেষ ঋণ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এই তহবিল থেকে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে, যা বর্তমান বাজার সুদহারের চেয়ে বেশ কম। অন্যদিকে, ঋণদাতা ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে এই তহবিল সুবিধা নিতে পারবে।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দারিদ্র্য বিমোচনে উত্তরবঙ্গের কৃষিপণ্যের আধুনিক ফসল-উত্তর ব্যবস্থাপনা, বাজারজাতকরণ অবকাঠামো, বিশেষায়িত হিমাগার এবং পর্যাপ্ত প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব বাধা দূর করে সম্পূর্ণ কৃষি মূল্য শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বাড়াতে এই ঋণ সহায়তা দেওয়া হবে।

তহবিলের মোট ৩ হাজার কোটি টাকাকে বিতরণের সুবিধার্থে চারটি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়েছে:

  • কৃষি উৎপাদন খাত (১৫% বরাদ্দ): এই খাতে একক বা দলবদ্ধভাবে ফসল উৎপাদন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ পালনের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে।
  • কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন ও অবকাঠামো (৩৫% বরাদ্দ): বিশেষায়িত হিমাগার নির্মাণ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে সর্বোচ্চ ৪০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ মিলবে।
  • কৃষিভিত্তিক পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ (৩৫% বরাদ্দ): সিএমএসএমই (কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি) উদ্যোক্তাদের প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনে সর্বোচ্চ ৪০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে।
  • কৃষিপণ্য রপ্তানি খাত (১৫% বরাদ্দ): কৃষি ও কৃষিভিত্তিক পণ্য রপ্তানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন।

তবে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকগুলো এই ঋণের সীমা সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে বা কমাতে পারবে। এ ছাড়া নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের অর্থায়ন সহজ করতে স্থাবর সম্পত্তির পরিবর্তে সামাজিক বা দলগত জামানতের (গ্রুপ গ্যারান্টি) ভিত্তিতে ঋণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

কৃষি উৎপাদন খাতের ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ১৮ মাস (৩ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ)। এ ছাড়া অন্যান্য খাতের (সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি) জন্য ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩৬ মাস (৩ থেকে ৬ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই তহবিলের অর্থ শুধুমাত্র ‘নতুন ঋণ’ হিসেবে বিতরণ করতে হবে। কোনোভাবেই পুরোনো ঋণ সমন্বয় বা খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার জন্য এই তহবিল ব্যবহার করা যাবে না। খেলাপি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত মাশুল ছাড়া গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো ফি বা চার্জ আদায় করা যাবে না। আগ্রহী গ্রাহকদের নিকটস্থ তফসিলি ব্যাংকের শাখা, উপশাখা বা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!