ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬
এডিবি

চাপের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্থিতিস্থাপকতা রয়েছে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ৯, ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম

চাপের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্থিতিস্থাপকতা রয়েছে

বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা চাপের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিস্থাপক রয়েছে বলে মনে করছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সংস্থাটির মতে, শক্তিশালী প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রবাহ এবং সেবা খাতের ধারাবাহিক কার্যক্রম দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) জুলাই ২০২৬ প্রতিবেদনের বরাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৩.৭ শতাংশ এবং ২০২৭ অর্থবছরে তা বেড়ে ৪.৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারাবাহিক অর্থনৈতিক সংস্কার এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ভবিষ্যতে প্রবৃদ্ধিকে আরও গতিশীল করবে।

এডিবির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আকিরা মাতসুনাগা বলেন, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং সেবা খাতের স্থিতিশীল সম্প্রসারণ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে স্থিতিস্থাপক থাকতে সহায়তা করছে।

তিনি আরও বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা, আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে ধারাবাহিক সংস্কার জরুরি। এসব পদক্ষেপ বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনীতির সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কঠোর সামষ্টিক আর্থিক নীতির মধ্যেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স, সেবা খাতের অব্যাহত প্রবৃদ্ধি এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে লক্ষ্যভিত্তিক ঋণ সহায়তা ২০২৬ অর্থবছরের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করবে।

এডিবির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯.০ শতাংশ থাকতে পারে। তবে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির ধারাবাহিকতায় ২০২৭ অর্থবছরে তা কিছুটা কমে ৮.৮ শতাংশে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, ব্যবসা পরিচালনার নিয়মকানুন সহজ করা, সুশাসন জোরদার, কর প্রশাসনের সংস্কার এবং রেমিট্যান্সে প্রণোদনা অব্যাহত থাকলে ২০২৭ অর্থবছরে বেসরকারি ভোগব্যয় ও বিনিয়োগ আরও শক্তিশালী হবে।

প্রতিবেদনে সেবা খাতকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি চলমান সংস্কার কার্যক্রম ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করবে এবং মধ্যমেয়াদে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

এডিবির মতে, দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানো এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশের জন্য ধারাবাহিক নীতিগত সংস্কার ও বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই।

এম জি

Link copied!