ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ

প্রশ্নফাঁসের ‘বিশ্বাসযোগ্য’ প্রমাণ মেলেনি, শিগগির ফল প্রকাশ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম

প্রশ্নফাঁসের ‘বিশ্বাসযোগ্য’ প্রমাণ মেলেনি, শিগগির ফল প্রকাশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁসের যে অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীরা তুলেছেন, তার কোনো ‘বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ পায়নি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ফলে এ পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে না। এখন পুরোদমে ফল প্রস্তুতের কাজ চলছে। শিগগির ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান ও পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসানের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলা বাদে) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন প্রায় পৌনে ১১ লাখ চাকরিপ্রার্থী। এ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির ঘটনায় ২০৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে এ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন একদল চাকরিপ্রত্যাশী। রোববার তারা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগ তদন্ত করার আশ্বাস দেন অধিদপ্তরের ডিজি।

তদন্তের ঘোষণা দেওয়ার পরদিনই প্রশ্নফাঁসের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছেন ডিজি আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। তিনি বলেন, পরীক্ষার পর থেকে আমরা প্রশ্নফাঁসের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু যেসব অভিযোগ বা ঘটনা সামনে এসেছে; আমরা পেয়েছি, সেগুলোর সঙ্গে মূল প্রশ্নের কোনো মিল নেই। প্রশ্নফাঁসের বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ আমরা পাইনি। এ কারণে পরীক্ষা বাতিলের প্রশ্ন আর আসছে না। এখন ফল প্রকাশের কাজ চলছে।

একই কথা জানিয়েছেন নিয়োগ প্রক্রিয়া দেখভালের দায়িত্বে থাকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের পরিচালক এ কে মোহাম্মদ সামসুল অহসান। 

তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় মূলত গুজব ছড়িয়েছে। আর যারা ডিভাইস ব্যবহারের চেষ্টা করেছে, তারা গ্রেপ্তার হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। তবে সংশ্লিষ্টরা ১৮ জানুয়ারিকে সামনে রেখে ফল প্রস্তুতে কাজ করছেন। সেদিনই ফলাফল প্রকাশের সম্ভাবনা বেশি।

অধিদপ্তরের ডিজি আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেন, টেকনিক্যাল টিম কাজ করছে। খুব শিগগির ফল প্রকাশ করা হবে। আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে আমরা ফল প্রকাশের চেষ্টা করছি। আশা করি এ সপ্তাহে কাজ শেষ করে আগামী সপ্তাহে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

লিখিত পরীক্ষার পর থেকে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ কতজনকে মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) ডাকা হবে, তা নিয়ে। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত হলো, জেলাভিত্তিক যেখানে যত শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে, তার তিনগুণ প্রার্থীকে ভাইভায় ডাকা হবে।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, যদি কোনো জেলায় ৬০টি শিক্ষক পদ শূন্য থাকে, তাহলে সেখানে ১৮০ জন প্রার্থীকে ডাকা হবে। ওই জেলার প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তালিকায় প্রথম দিকে থাকা ১৮০ জনকে ভাইভার সুযোগ দেওয়া হবে। কোটার প্রার্থীর ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।

অধিদপ্তরের সূত্রমতে, লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৭ থেকে ১০ কর্মদিবস পর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু হতে পারে। স্ব স্ব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ভাইভা হওয়ায় এক থেকে তিন কর্মদিবসে ভাইভা শেষ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে (সম্ভাব্য ৭ ফেব্রুয়ারি) অর্থাৎ, নির্বাচনের আগেই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হতে পারে।

এএন

Link copied!