ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বাউবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খানের দায়িত্ব গ্রহণ

গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর প্রতিনিধি

মার্চ ১৮, ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম

বাউবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খানের দায়িত্ব গ্রহণ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)-এর নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) পূর্বাহ্নে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এ সময় বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তাঁর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২-এর ধারা ১২ (১) অনুযায়ী তাঁকে ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে তাঁর মেয়াদ হবে চার বছর। তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাসহ বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বৃহৎ দূরশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পাওয়া তাঁর জন্য গৌরবের। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও আধুনিক, গতিশীল ও মানসম্মত প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর দূরশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নেওয়া হবে।

কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার গলাচিপা গ্রামে জন্মগ্রহণ করা অধ্যাপক খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘নবাবি বাংলার রাজনীতি ও অভিজাত শ্রেণি’।

১৯৯৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা তিনি বর্তমানে অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি কলা অনুষদের ডিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এবং স্যার পি জে হারটগ ইন্টারন্যাশনাল হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ড. খানের গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র আধুনিক মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক বিকাশ। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জার্নালে তাঁর ৩৫টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৫টি। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— বাংলাদেশের ইতিহাস ১৯৭২-২০১৪, নবাবি বাংলার অভিজাত শ্রেণি, উসমানি সালতানাত, মুঘল ভারতের ইতিহাসসহ আরও অনেক।

তিনি বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে ‘ইতিহাস’ গবেষণা জার্নালের সম্পাদক। এছাড়াও বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক, বাংলাপিডিয়ার ম্যানেজিং এডিটরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন।

অধ্যাপক খান আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সক্রিয়। স্পেন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, ইরান, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করেছেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক পুত্র ও এক কন্যার জনক।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে তাঁর নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট মহলে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তাঁর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও দূরশিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।

এএন

Link copied!