ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

নেপালে নতুন সংবিধান চায় জেন-জি আন্দোলনকারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫, ০২:১৯ পিএম

নেপালে নতুন সংবিধান চায় জেন-জি আন্দোলনকারীরা

নেপালে জেন-জিদের আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করার পর, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের এক বিস্তৃত দাবি তুলে ধরেছেন আন্দোলনকারীরা। এর মধ্যে সংবিধান নতুন করে পুনর্লিখন, সরাসরি নির্বাহী নেতৃত্ব এবং গত তিন দশকের লুটপাটের তদন্তসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের দাবি অন্যতম।

বুধবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দিয়েছেন, বিক্ষোভে নিহত প্রত্যেককে রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং তাদের পরিবারকে সম্মান ও সহায়তা দিয়ে পুনর্বাসন করতে হবে। পাশাপাশি বেকারত্ব মোকাবিলা, অভিবাসন কমানো ও সামাজিক বৈষম্য নিরসনে বিশেষ কর্মসূচির প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য নয়, এটি গোটা প্রজন্ম ও দেশের ভবিষ্যতের জন্য। শান্তি জরুরি, কিন্তু তা সম্ভব কেবল নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভিত্তিতে।’ তারা আশা প্রকাশ করেছেন, রাষ্ট্রপতি ও সেনাবাহিনী তাদের প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বাস্তবায়ন করবেন।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবিগুলো হলো

বর্তমান প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দেওয়া, কারণ এটি জনগণের আস্থা হারিয়েছে। জনগণ, বিশেষজ্ঞ ও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণে সংবিধানের সংশোধন বা সম্পূর্ণ পুনর্লিখন।

অন্তর্বর্তীকাল শেষে স্বাধীন, সুষ্ঠু এবং সরাসরি জনঅংশগ্রহণের ভিত্তিতে নতুন নির্বাচন।

এছাড়া সরাসরি নির্বাচিত নির্বাহী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। গত তিন দশকের লুট হওয়া সম্পদের তদন্ত এবং অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয়করণ এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার, নিরাপত্তা ও যোগাযোগ— এই পাঁচ খাতে কাঠামোগত সংস্কার।

এর আগে বুধবার ভোর থেকেই সেনাবাহিনী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন শহরে মোতায়েন হয়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং অস্থিরতা দমনে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর আগের দিন সহিংস বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রী ওলি পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন।

তবে সরকারের পতনের পরও অস্থিরতা কমেনি। বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশ করে আগুন ধরিয়ে দেয়। সেনাবাহিনী রাতেই দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং কাঠমান্ডু, ললিতপুর, ভক্তপুরসহ বিভিন্ন স্থানে বিধিনিষেধ আরোপ করে।

সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, কিছু গোষ্ঠী বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করছে এবং সরকারি সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করছে।

ইএইচ

Link copied!