ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

আমিরাতে আটক মেজর বিক্রান্ত: বোন সেলিনার সহায়তার আবেদন

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

নভেম্বর ৬, ২০২৫, ০১:২২ পিএম

আমিরাতে আটক মেজর বিক্রান্ত: বোন সেলিনার সহায়তার আবেদন

এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে দিল্লি হাইকোর্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে (MEA) নির্দেশ দিয়েছে যেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে (UAE) আটক ভারতীয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর বিক্রান্ত কুমার জৈতলির সঙ্গে তার পরিবারের যোগাযোগের সুযোগ ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হয়।

মেজর জৈতলি, যিনি ভারতের প্যারা স্পেশাল ফোর্সেস ইউনিটের এক সাহসী কর্মকর্তা হিসেবে সেনাপ্রধানের বীরত্বপদক (COAS Commendation for Gallantry) পেয়েছিলেন, তিনি ২০১৬ সাল থেকে আমিরাতে বসবাস করছিলেন। তিনি সেখানে একটি সামুদ্রিক বিষয়ক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে 'জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত' অভিযোগে আটক করা হয় বলে জানা গেছে।

তার বোন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জৈতলি, যিনি একমাত্র রক্তসম্পর্কিত আত্মীয়, গত ১৪ মাস ধরে ভাইয়ের নিখোঁজ অবস্থার বিষয়ে ভারত সরকার ও কূটনৈতিক দপ্তরগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছেন। পরিবারটির অভিযোগ-মেজর জৈতলির নয় মাসেরও বেশি সময় ধরে ‘বাধ্যতামূলক গুম’ (enforced disappearance) অবস্থার পরেই তার আনুষ্ঠানিক আটক স্বীকার করে UAE কর্তৃপক্ষ।

বিচারপতি সচিন দত্তার নেতৃত্বাধীন আদালত শুনানিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন, মেজর জৈতলির সঙ্গে তার স্ত্রী (বর্তমানে আমিরাতে আছেন) ও বোন সেলিনা জৈতলির সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করতে। একইসঙ্গে, মন্ত্রণালয়কে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে-যাতে উল্লেখ থাকবে আটক সেনা কর্মকর্তাকে সহায়তায় এখন পর্যন্ত কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ৪ ডিসেম্বর ২০২৫।

সেলিনা জৈতলি আদালতের এ নির্দেশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, এটি আমাদের জন্য এক টুকরো আশার আলো। ১৪ মাস ধরে অন্ধকারে ছিলাম-আজ অন্তত ন্যায়বিচারের পথে একধাপ এগোলাম। আমার ভাই দেশের জন্য লড়েছেন, এখন আমাদের তার পাশে দাঁড়ানোর সময়।

তিনি আরও জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর ও আমিরাতস্থ দূতাবাসের কাছে দীর্ঘদিন ধরে আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা চাওয়া হলেও এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক সাড়া মেলেনি।

এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে বিদেশে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সহায়তা প্রাপ্তির জটিল বাস্তবতা। বিশেষত, 'জাতীয় নিরাপত্তা' সংক্রান্ত অভিযোগে আটক হওয়ার মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলোয় কূটনৈতিক তৎপরতা ও বিচারিক নজরদারি উভয়েরই প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়।

আগামী কয়েক সপ্তাহে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ ও আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

জেএইচআর

Link copied!