ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

হাসিনা–কামালের মৃত্যুদণ্ড: বিচারপ্রক্রিয়ার মান নিয়ে প্রশ্ন এইচআরডব্লিউর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নভেম্বর ১৮, ২০২৫, ১১:৫২ এএম

হাসিনা–কামালের মৃত্যুদণ্ড: বিচারপ্রক্রিয়ার মান নিয়ে প্রশ্ন এইচআরডব্লিউর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর বিচারপ্রক্রিয়ার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। 

সংগঠনটি বলেছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে যথাযথ বিচার না হলে ন্যায়বিচারের দাবিদার ভুক্তভোগীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হন।

সোমবার প্রকাশিত নিজেদের বিবৃতিতে নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনটি জানায়, দুজন সাবেক নেতার অনুপস্থিতিতেই এ মামলা পরিচালিত হয়েছে। তারা কেউই নিজেদের পছন্দের আইনজীবীর প্রতিনিধিত্ব পাননি যা আদালতের রায়ের ন্যায্যতা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করে।

এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, মামলার তৃতীয় ব্যক্তি সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন আদালতের কাছে প্রসিকিউশনের সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও বিচারক তাঁর শাস্তি কমিয়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড নির্ধারণ করেন।

সংগঠনটির এশিয়া বিভাগের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখনো শেখ হাসিনার আমলে সংঘটিত দমন-পীড়নের বেদনা বহন করছে। তবে প্রতিটি মামলায় একই মানদণ্ডে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে, তা যেই অভিযুক্তই হোক না কেন।

তিনি বলেন, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং আন্তর্জাতিক মান পূরণ করতে না পারলে ভুক্তভোগীরাও প্রকৃত ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন।

সংগঠনটির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া বিক্ষোভ তিন সপ্তাহের মধ্যে ভয়াবহ দমন-পীড়নে রূপ নেয়। 

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনের তথ্য উদ্ধৃত করে এইচআরডব্লিউ জানায়, জুলাই–আগস্টের ঘটনাপ্রবাহে প্রায় ১,৪০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে, যাদের বড় অংশ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত।

এই বিক্ষোভের ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারান এবং পরে দেশত্যাগ করেন।

সংগঠনটির দাবি, মামলায় প্রসিকিউশন ৫৪ জন সাক্ষী হাজির করলেও আসামিপক্ষকে কার্যত আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সাক্ষীদের জেরা করলেও তার কাছে আসামিদের কোনো নির্দেশনা ছিল না। এর ফলে অভিযোগ খণ্ডন করার মতো কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

এইচআরডব্লিউ আরও বলে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে উপস্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণের মধ্যে ছিল সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথোপকথনের অডিও রেকর্ডিং, যেখানে তিনি প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন এমন ধারণা পাওয়া যায়।

সংগঠনটির মতে, মৃত্যুদণ্ড এমন এক শাস্তি যা ফিরিয়ে নেওয়া যায় না এবং স্বভাবগতভাবেই অমানবিক। তাই বিচার নিয়ে সামান্য সংশয় থাকলেও এমন দণ্ড মানবাধিকার নীতির বিরুদ্ধে যায়।

মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখেন, কিন্তু সেই ন্যায়বিচার তখনই অর্থবহ হয় যখন তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানে দাঁড়িয়ে থাকে যেখানে আসামিদের ন্যায্য অধিকারও সুরক্ষিত থাকে।

ইএইচ

Link copied!