আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
ভেনেজুয়েলায় সামরিক হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নিয়ে গেছে মার্কিন বাহিনী। কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে কিংবা দেশটির কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়াই এ হামলা চালায় ট্রাম্প সরকার।
এ ঘটনায় রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্ভাব্য যুদ্ধের বিরোধিতা করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে মাদুরোকে ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে এসে মাদক পাচার সংক্রান্ত অভিযোগে আদালতে তোলাকে অবৈধ বলে আখ্যা দেয় বিক্ষোভকারীরা।
মাদুরোকে স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে তোলার কথা রয়েছে। শিকাগো, ডালাস, নিউইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া, পিটসবার্গ, সান ফ্রান্সিসকো ও সিয়াটলসহ যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলজুড়ে বড় শহরগুলোতে শত শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।
বিক্ষোভে অংশগ্রহনকারী অ্যাক্ট নাও টু স্টপ ওয়ার অ্যান্ড এন্ড রেসিজমের সংগঠক টেইলর ইয়াং ফক্স নিউজকে বলেন, ‘আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি এমন একটি দেশের সঙ্গে সংহতি জানাতে, যার সার্বভৌমত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আমাদের সরকার আমাদের ট্যাক্সের টাকায় লঙ্ঘন করেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘অন্তত আমরা এতটুকু বলতে পারি—আমরা চুপচাপ দাঁড়িয়ে এটা ঘটতে দেব না।’ রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের বড় অংশ ট্রাম্পের পদক্ষেপের প্রশংসা অব্যাহত রাখেন, যদিও অনেকেই যুক্তরাষ্ট্র ‘দেশটি চালাবে’ এমন মন্তব্য থেকে সরে আসার চেষ্টা করেন।
এদিকে, রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, সাম্প্রতিক অভিযানের পর ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই রয়েছে। সেই সঙ্গে দেশটির নতুন নেতৃত্বের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তবে, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ডেলসি রদ্রিগেজ সঠিক কাজ না করলে তাকে মাদুরোর চেয়েও ‘বড় মূল্য’ দিতে হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, ভেনেজুয়েলার তেলভান্ডার যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করা।
এএন