ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আর নেই, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্চ ১, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আর নেই, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ 'অপারেশন এপিক ফিউরি' হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি। রোববার স্থানীয় সময় সকালে ইরানের রাষ্ট্র্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রচার করা হয়। 

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে রোববার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল।

দেশটির রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলগুলোতে উপস্থাপকদের পড়ে শোনানো বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় ভোরে আয়াতুল্লাহ খামেনি তার কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করার সময়ই নিহত হন।

এদিকে, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে বিবিসি নিউজ জানিয়েছে, তেহরানে অবস্থিত 'লিডারশিপ হাউস' কমপ্লেক্সের কিছু অংশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ পেয়েছে। এই স্থানটিই খামেনির কার্যালয়।

এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট একজন ব্যক্তি, 'মারা গেছেন'।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পোস্টে আরও লিখেছেন, 'ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন। খামেনি ও তার রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত বা 'মিউটিলেটেড' অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্ববাসীর জন্য আজ সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।'

পোস্টে তিনি আরও বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজর এড়াতে পারেননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে খামেনি এবং তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শীর্ষ নেতারা পালানোর কোনো সুযোগ পাননি। ইরানি জনগণের জন্য এখন তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এছাড়াও পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), সেনাবাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যই আর যুদ্ধ করতে চাচ্ছেন না। বরং তারা আমেরিকার কাছে দায়মুক্তির জন্য প্রার্থনা করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি গত রাতেই বলেছিলাম, এখন চাইলে তারা ইমিউনিটি পাবে, কিন্তু দেরি করলে কপালে নির্ঘাত মৃত্যু আছে’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স, সিএনএন এবং বিবিসি নিউজ একই সঙ্গে দাবি করছে যে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। 

এদিকে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মেয়ে, জামাতা এবং নাতি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। খামেনির পরিবারের ওই সদস্যদের মৃত্যু ঠিক কোথায় বা কীভাবে হয়েছে—সেটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এএন

Link copied!