ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
ডোনাল্ড ট্রাম্প

ভারতের মানুষ কেবল সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম

ভারতের মানুষ কেবল সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ রেডিও সঞ্চালক মাইকেল সেভেজের একটি বিতর্কিত চিঠি শেয়ার করেছেন, যেখানে ভারত, চীনসহ কয়েকটি দেশকে নিয়ে আপত্তিকর ও বর্ণবাদী মন্তব্য করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানা গেছে।

ওই চিঠিতে সেভেজ দাবি করেন, ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো থেকে মানুষ কেবল যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিতে আসে, যাতে জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। তিনি এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইনের অপব্যবহার হিসেবে উল্লেখ করে তা বন্ধের আহ্বান জানান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এসব দেশের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব সুবিধা নিচ্ছে এবং পরে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসছে।

ট্রাম্প এই পোস্ট শেয়ার করেন এমন এক সময়ে, যখন একদিন আগেই তিনি সিএনবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বিশ্বের আর কোনো দেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিয়ম নেই। তবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্র বলছে, তার এই দাবি সঠিক নয়।

তথ্যমতে, বিশ্বের প্রায় তিন ডজনেরও বেশি দেশে জন্মসূত্রে স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্বের বিধান রয়েছে। কানাডা ও মেক্সিকো ছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকার বহু দেশে এই আইন প্রচলিত।

ট্রাম্পের এই পোস্ট ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে ভারত ও চীনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, অভিবাসন ইস্যুকে সামনে রেখে ট্রাম্প আবারও কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ ধরনের বক্তব্য ও প্রচারণা ব্যবহার করছেন।

মানবাধিকার কর্মী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা এসব মন্তব্যকে বিভাজনমূলক ও বর্ণবাদী হিসেবে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করছেন, ভারত ও চীনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

এএন

Link copied!