ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
বাংলায় পরিবর্তনের ডাক

বাংলায় ‍‍‘আসল পরিবর্তন‍‍’ ও মোদী সরকারের নতুন লক্ষ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ৫, ২০২৬, ০৭:৩০ এএম

বাংলায় ‍‍‘আসল পরিবর্তন‍‍’ ও মোদী সরকারের নতুন লক্ষ্য

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির অভাবনীয় জয়কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী 'বাংলার নতুন সূর্যোদয়' হিসেবে অভিহিত করেছেন। দিল্লিতে দলীয় সদর দপ্তরে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি কেবল বাংলার জয় নয়, বরং ভারতের রাজনীতিতে এক বৃহত্তর পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর ভাষণে বারবার 'পরিবর্তন' শব্দটির ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলা এখন ভয়মুক্ত এবং উন্নয়নের আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। তাঁর কথায়, ‘বাংলায় পরিবর্তন হয়েছে।এই জয়কে তিনি বাংলার মানুষের জয় হিসেবে উৎসর্গ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, বাংলার পবিত্র ভূমিতে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বাংলার মানুষের জন্য দুটি বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং সীমান্ত সমস্যা সমাধানে কেন্দ্র আরও কঠোর হবে। তৃণমূল সরকারের সঙ্গে সংঘাতের কারণে এতদিন বাংলায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প চালু করা সম্ভব হয়নি। মোদী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, এটি অবিলম্বে রাজ্যে কার্যকর করা হবে।

ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব বোঝাতে প্রধানমন্ত্রী প্রাচীন ভারতের তিন এলাকা- বিহার (অঙ্গ), বাংলা (বঙ্গ) এবং ওড়িশার (কলিঙ্গ) কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই তিন অঞ্চলের মানুষ এনডিএ-র ওপর আস্থা রেখেছেন, যা 'পূর্বোদয়' বা ভারতের পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের সংকল্পকে আরও মজবুত করবে।

নিবন্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নারী ভোট। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, নারী সংরক্ষণ বিল বা মহিলা কোটা বিলের বিরোধিতাকারী দলগুলো (তৃণমূল, কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি) মহিলাদের রোষের মুখে পড়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়কে তিনি নারীশক্তির 'প্রতিশোধ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি এবং কেরালায় কংগ্রেসকেও তিনি একই পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

১৯৭৭ সালের পর এই প্রথম ভারতের কোনো রাজ্যে বামপন্থীদের শাসন রইল না (কেরালাতেও বামফ্রন্টের পরাজয় হয়েছে)। প্রধানমন্ত্রী একে ভারতীয় রাজনীতির একটি 'বড় পরিবর্তন' হিসেবে দেখছেন। তিনি মনে করেন, আজকের ভারত সুযোগ, উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতা চায়, পুরনো বামপন্থী আদর্শ নয়।

বিজেপি বাংলায় ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে। এর পাশাপাশি আসামে টানা তৃতীয়বার এবং পুদুচেরিতেও দলের সাফল্য উল্লেখ করার মতো। এটি স্পষ্ট করে যে, বিজেপি এখন ভারতের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছে।

এএন

Link copied!