ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজা অভিষেকের বাড়ি ভাঙার নোটিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ২০, ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজা অভিষেকের বাড়ি ভাঙার নোটিশ

অবৈধ নির্মাণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এবার নোটিশের মুখে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর মালিকানাধীন বা সংশ্লিষ্ট দুটি আবাসিক সম্পত্তি।

বুধবার কলকাতা পৌরসভার পক্ষ থেকে কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডে অবস্থিত দুটি বাড়ি নিয়ে নির্মাণ নকশা ও অনুমোদন সংক্রান্ত ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ জারি করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই স্থাপনাগুলোতে অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মাণ করা হয়েছে।

নোটিশে সংশ্লিষ্টদের সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ অংশ নিজ উদ্যোগে ভেঙে ফেলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে পৌরসভা নিজেই উচ্ছেদ অভিযান চালাতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্র অনুযায়ী, একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে ১২১ কালীঘাট রোডের ঠিকানায়, যেখানে মালিক হিসেবে উল্লেখ রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। জানা যায়, সম্পত্তিটি তার একটি প্রতিষ্ঠানের নামে নিবন্ধিত।

অন্য নোটিশটি গেছে ১৮৮এ হরিশ মুখার্জি রোডের ‘শান্তিনিকেতন’ ভবনে, যেখানে পরিবারসহ বসবাস করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সম্পত্তির মালিকানা তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নামে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি তৃণমূল কংগ্রেস। তবে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ।

বর্তমানে কলকাতা পৌরসভা তৃণমূল কংগ্রেস-নিয়ন্ত্রিত হলেও এই নোটিশ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশের কথাও শোনা যাচ্ছে, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তা নিশ্চিত করা হয়নি।

পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত মেয়রের সরাসরি এখতিয়ারে নয়, বরং কমিশনার পর্যায়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে রাজ্যে সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হওয়ার মধ্যে এই নোটিশ রাজনৈতিকভাবে আরও গুরুত্ব পাচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এএন

Link copied!