ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২৬

৩০০ কোটি রুপির অবৈধ সম্পদ অর্জন, পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ৭, ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম

৩০০ কোটি রুপির অবৈধ সম্পদ অর্জন, পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্যের দুর্নীতি দমন ব্যুরো (এসিবি)। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মকর্তা ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) সংকিরেড্ডি ভীম রেড্ডি। তিনি হায়দরাবাদের পুলিশ কম্পিউটার সার্ভিসেস (পিসিএস)-এ কর্মরত ছিলেন। 

সোমবার সন্ধ্যায় হায়দরাবাদের ইব্রাহিমবাগ এলাকার ভেসেলা মেডোজে অবস্থিত তার বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে এসিবির বিশেষ আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

এসিবির অভিযোগ, চাকরিকালীন সময়ে বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন ভীম রেড্ডি। দুর্নীতি ও অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদের মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ পরিচিত আয়ের উৎসের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি।

এর আগে গত ২ জুলাই তেলেঙ্গানা ও কর্ণাটকের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় এসিবি। অভিযানের আওতায় ডিএসপির বাসাসহ তার আত্মীয়স্বজন, বন্ধু, কথিত বেনামি মালিক এবং সহযোগীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মোট ১৬টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তে হায়দরাবাদ, সাঙ্গারেড্ডি, বিকারাবাদ, তেল্লাপুর, গাচিবাউলি, মানিকোন্ডা, পাতানচেরু, নাগোল এবং কর্ণাটকের বিভিন্ন স্থানে একাধিক বিলাসবহুল ভিলা, ফ্ল্যাট, বাণিজ্যিক ভবনে অংশীদারত্ব, খোলা প্লট, কৃষিজমি এবং বিভিন্ন বিনিয়োগের তথ্য পাওয়া যায়। এসব সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০০ কোটি রুপি বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।

তল্লাশির সময় ভীম রেড্ডির বাসা থেকে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার রুপি নগদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার এক কথিত বেনামি সহযোগীর বাড়ি থেকে আরও প্রায় ৪০ লাখ রুপি জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে প্রায় ২ কেজি স্বর্ণালংকার, প্রায় ২০ কেজি রুপার সামগ্রী এবং প্রায় ১৯ লাখ ৯১ হাজার রুপির ব্যাংক আমানতের তথ্যও উদ্ধার করেছে এসিবি।

তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসে একটি হাতে লেখা ব্যক্তিগত ডায়েরি উদ্ধারের মাধ্যমে। এসিবির দাবি, চারধাম তীর্থযাত্রায় যাওয়ার আগে ভীম রেড্ডি ওই ডায়েরিতে নিজের সম্পদ, বিভিন্ন বিনিয়োগ, দায়-দেনা এবং কথিত বেনামি ব্যক্তিদের নাম লিখে রেখেছিলেন। পরে তিনি ডায়েরিটির স্ক্যান কপি হোয়াটসঅ্যাপে তার দুই ছেলের কাছে পাঠিয়েছিলেন।

তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, উদ্ধার হওয়া ডায়েরিটি মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এতে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক সম্পত্তি এবং আর্থিক লেনদেনের সূত্র মিলেছে, যা তদন্তকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে।

এসিবি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সম্পদ, নগদ অর্থ এবং বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের উৎস যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই সম্পদ অর্জনের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

এএন

Link copied!