ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশে বিয়ে করে বিপদের শঙ্কা, নাগরিকদের সতর্ক করল চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম

বাংলাদেশে বিয়ে করে বিপদের শঙ্কা, নাগরিকদের সতর্ক করল চীন

ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস অবৈধ মধ্যস্থতাকারী বা এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশে এসে কনে খোঁজার বিষয়ে নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করেছে। মানবপাচার ও প্রতারণার ঘটনা বাড়ার আশঙ্কায় মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় এই সতর্কতা জারি করা হয়।

চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, দালাল কিংবা অবৈধ ম্যাচমেকিং সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশে গিয়ে বিয়ে করার চেষ্টা করলে চীনা নাগরিকরা মানবপাচারের অভিযোগে আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন। এ ধরনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, মানবপাচারের অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বনিম্ন সাত বছরের কারাদণ্ড এবং কমপক্ষে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। অপরাধ গুরুতর হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এমনকি মৃত্যুদণ্ডের শাস্তিও হতে পারে। এছাড়া মানবপাচারে প্ররোচনা বা সহায়তার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিন থেকে সাত বছর কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চীনা নাগরিকদের সঙ্গে সীমান্তপারের বিয়েকে কেন্দ্র করে প্রতারণার ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বিয়ে পারস্পরিক সম্মতি, বিশ্বাস ও প্রকৃত সম্পর্কের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। তবে কনে কেনাবেচার মতো প্রবণতা অনেক সময় আর্থিক প্রতারণা ও শারীরিক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

চীনে আন্তর্জাতিক বিয়ের মধ্যস্থতাকারী ব্যবসা অবৈধ। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে নারী ও পুরুষের সংখ্যাগত ভারসাম্যহীনতার সমস্যায় ভুগছে। ২০২০ সালের জাতীয় জনশুমারি অনুযায়ী, চীনে বিয়ের উপযুক্ত পুরুষের সংখ্যা নারীর তুলনায় প্রায় এক কোটি ৭৫ লাখ বেশি।

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বিয়ের নামে প্রতারণা ও মানবপাচার ঠেকাতে আরও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। বিদেশি নাগরিকদের বৈবাহিক পাচার থেকে সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের নাগরিকদের বড় অঙ্কের অর্থ হারানোর ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করছে দেশটি।

এর আগে ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, লাওস, পাকিস্তান ও নেপালে থাকা চীনা দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো বিয়ে সংক্রান্ত প্রতারণার বিষয়ে নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করেছে।

চীনের সর্বোচ্চ জনগণের অভিশংসক দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত মানবপাচার ও প্রতারণামূলক বিয়ের সঙ্গে জড়িত অপরাধে এক হাজার ৫৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিছু ঘটনায় চীনা পুরুষরা বিদেশি নারীকে বিয়ে করার জন্য কয়েক হাজার ইউয়ান খরচ করার পর প্রতারণার শিকার হয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে বিয়ের পর ওই নারীরা হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে গেছেন। আবার কিছু ঘটনায় নারীদের অপহরণ করে চীনা পুরুষদের সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

গত বছরের মার্চে মাদাগাস্কারে আট চীনা নাগরিককে ভুয়া চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীদের চীনে পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়া চীনের হুনান, আনহুই ও শানডং প্রদেশের পুলিশ সম্প্রতি যৌথ অভিযান চালিয়ে বিয়ে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। অভিযানে মিয়ানমারের তিন নারী স্বীকার করেন, তারা বিয়ে প্রতারণার উদ্দেশ্যেই চীনে এসেছিলেন।

ওই অভিযানে ৬৩টি ফৌজদারি মামলা করা হয়, ৩৩টি প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং ৫০ লাখ ইউয়ানের বেশি সম্পদ জব্দ করা হয়।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিজিটিএনের তথ্য অনুযায়ী, মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত ওই চক্রের কার্যক্রম চীন, ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

এম জি

Link copied!