স্পোর্টস ডেস্ক
জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৯:১২ পিএম
জয়ের জন্য শেষ ১৮ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪১ রান। হাতে ছিল ৪ উইকেট। কঠিন সমীকরণ আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন রিচার্ড এনগারাভার বলে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন ইয়াসির রাব্বি। ব্র্যাড ইভান্সের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৫৪ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন তিনি। তার বিদায়ের সঙ্গে কার্যত বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়।
একই ওভারে ফিরে যান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও। এরপর দ্রুত গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। নির্ধারিত লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৩৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ফলে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৩২ রানের হার দিয়ে সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ।
এর আগে একই সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজও জিম্বাবুয়ের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতেও সেই হতাশার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকল।
বুলাওয়েতে ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৩৪ রান তুলতেই হারায় ৩ উইকেট। এরপর চতুর্থ উইকেটে ইয়াসির রাব্বি ও তাওহিদ হৃদয় ৩৯ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ব্যক্তিগত ১৪ রানে অধিনায়ক হৃদয় আউট হলে আবারও চাপে পড়ে দল।
দলীয় ৭৮ রানে রান আউট হয়ে ফেরেন নুরুল হাসান সোহান, তার ব্যাট থেকে আসে ৩ রান। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে ইয়াসির রাব্বি ও শেখ মেহেদী ৩৭ বলে ৫৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরার আশা জাগান। কিন্তু শেখ মেহেদী ১৯ রান করে বিদায় নেওয়ার পর ধসে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং। শেষ ৫ উইকেট হারায় মাত্র ৮ রানের ব্যবধানে।
প্রায় তিন বছর পর জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া ইয়াসির রাব্বি ৩টি ছক্কা ও ২টি চারের সাহায্যে ৫৪ রান করে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন। জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানি ৪টি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৭০ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। শেষদিকে রায়ান বার্ল ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া ব্র্যাড ইভান্স ১৯০.০০ স্ট্রাইকরেটে ১৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাহিদ রানা ছিলেন সবচেয়ে সফল। তিনি ২৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েন।
এম জি