ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

আলেমদের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করলেন মুসলিম দেশের প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ২৬, ২০২৬, ০৮:৫১ পিএম

আলেমদের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করলেন মুসলিম দেশের প্রেসিডেন্ট

বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ত্রাওরে দেশটির ইমাম ও ইসলামিক স্কলারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যারা তার ভাষায় ‘ইসলামের উগ্র ব্যাখ্যা’ প্রচার করবে, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খবর দ্য নিউ আরবের।

সম্প্রতি আলেমদের উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে ত্রাওরে বলেন, যদি কেউ ধর্মকে উগ্রতার প্রচারে ব্যবহার করে, তাহলে সরকার তার বিরুদ্ধে লড়াই করবে। তিনি বলেন, “যদি এটিই আপনাদের ইসলাম হয়, তবে আমরা এর বিরুদ্ধে লড়াই করব। উগ্রপন্থীদের পরিবর্তন হতে হবে। তারা যদি না বদলায়, তাহলে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।”

বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ধর্মীয় খুতবাকে ব্যবহার করে উগ্র ধারণা ছড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ইমামদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তিনি সরকারের প্রণীত নতুন ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন’-এর পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, এই আইন দেশের ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

একই সঙ্গে ত্রাওরে অভিযোগ করেন, কিছু বিদেশি শক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করতে ধর্মকে ব্যবহার করছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, যারা ইসলামের শান্তিপূর্ণ ব্যাখ্যার পক্ষে অবস্থান নেবেন, তাদের প্রতি রাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, নতুন ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের খসড়ার সমালোচনা করায় গত মে মাসের শেষ দিকে দেশটির অন্যতম প্রভাবশালী সুন্নি আলেম ইমাম মোহাম্মদ ইসহাক কিনদোকে গ্রেপ্তার করে কর্তৃপক্ষ। পরে তার মুক্তির দাবিতে মুসল্লিরা জড়ো হলে রাজধানী উয়াগাদুগুর সবচেয়ে বড় সুন্নি মসজিদটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রশাসন এ পদক্ষেপের কারণ হিসেবে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কার কথা জানিয়েছিল।

এর আগে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে একই ধরনের পরিস্থিতিতে বোবো-দিউলাসো শহর থেকে আরেক ইমাম মাহমুদ বারোকেও আটক করা হয়। সাহেল অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা ডাকারভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান টিমবুকতু ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, কিনদোর সমর্থকদের বিক্ষোভ দমনের পর থেকে মাহমুদ বারোর অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

টিমবুকতু ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বর্তমান সংকট শুধু একটি আইন নিয়ে বিরোধ নয়; বরং ২০২২ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর যেসব প্রভাবশালী আলেমের সমর্থনে ত্রাওরে সরকার রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি করেছিল, তাদের সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতির বিষয়টি এর সঙ্গে জড়িত।

অভ্যন্তরীণ এই উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করছে বুরকিনা ফাসো। সম্প্রতি দেশটিতে নিযুক্ত ইসরায়েলের নতুন রাষ্ট্রদূত সাইমন সেরুসি প্রেসিডেন্ট ত্রাওরের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। কয়েক মাস অনুমোদন আটকে থাকার পর শেষ পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

বুরকিনা ফাসো, মালি ও নাইজারের সামরিক সরকারগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ‘অ্যালায়েন্স অব সাহেল স্টেটস’-এর সঙ্গে ইসরায়েলি গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগের মধ্যেই এসব ঘটনা সামনে এসেছে। সাহেল অঞ্চলের দেশগুলো ইসরায়েলি নিরাপত্তা প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে বলেও জানা গেছে।

এএন

Link copied!