ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
আদালতে সোহেল

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যায় আমার স্ত্রীর কোনো দোষ নেই

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ১, ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যায় আমার স্ত্রীর কোনো দোষ নেই

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করেছেন। এর ফলে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শুরু হলো।

সোমবার ঢাকার মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

অভিযোগ গঠনের সময় আদালতে আসামিদের বক্তব্য নেওয়া হলে সোহেল রানা দাবি করেন, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নির্দোষ। জবাবে স্বপ্নাও তার স্বামীর উদ্দেশে নিজের নির্দোষ থাকার কথা তুলে ধরেন। তবে আদালত তাদের বক্তব্য আমলে না নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ পড়ে শোনান। এরপর আসামিদের কাছে দোষ স্বীকার বা অস্বীকার জানতে চাইলে তারা নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করেন।

এর আগে সকালে কারাগার থেকে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। আইনজীবী না থাকায় রাষ্ট্রীয় খরচে একজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়, যিনি আদালতে উপস্থিত থেকে তাদের পক্ষে দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন পাবলিক প্রসিকিউটর।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এক উপপরিদর্শক দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন। পরে তা ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচার শুরুর জন্য শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৯ মে সকালে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার বাসা থেকে বের হওয়ার পর স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা ওই ফ্ল্যাটের সামনে তার জুতা দেখতে পান।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মাসহ অন্যান্য বাসিন্দারা ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে তার মাথা দেখতে পান।

এ সময় কক্ষে উপস্থিত স্বপ্না আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, তার স্বামী সোহেল রানা হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় ১৯ মে শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে পুলিশ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।

পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই দিন স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এম জি
 

Link copied!