ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
ড্রামভর্তি ২৬ টুকরো লাশ

পরকীয়ার জেরে হত্যাকাণ্ড, বান্ধবীসহ প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

নভেম্বর ১৪, ২০২৫, ১১:৪১ পিএম

পরকীয়ার জেরে হত্যাকাণ্ড, বান্ধবীসহ প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহের পাশ থেকে ড্রামে ভরা ২৬ টুকরো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি মিলেছে। হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত জরেজ মিয়া এবং তার বান্ধবী শামীমা গ্রেপ্তার হয়েছেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম। তিনি জানান, “হত্যাকাণ্ড পরকীয়ার জেরে ঘটেছে। ঘটনাস্থলের আলামতসহ জরেজ ও শামীমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

শুক্রবার নিহত আশরাফুল হকের বোন আনজিনা বেগম শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে আশরাফুলের শৈশববন্ধু জরেজ মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামির তালিকায় রাখা হয়েছে।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর বলেন, “ঘটনায় জরেজকে মূল আসামি করা হয়েছে। তদন্তে আরও নাম বের হতে পারে।”

গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় ঈদগাহের পাশের একটি পানির পাম্পের সামনে নীল রঙের দুটি ড্রাম থেকে খণ্ড-বিখণ্ড লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশ্লেষণে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হয় তিনি রংপুরের বদরগঞ্জের আশরাফুল হক (৩৫)। পেশায় তিনি কাঁচামাল আমদানিকারক ছিলেন।

রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, “নিখোঁজ আশরাফুলের পরিবারের সঙ্গে বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত কথা হয়েছিল। এরপর থেকে তাকে আর পাওয়া যায়নি।”

নিহতের পরিবার জানান, পণ্য আমদানির কাজের কারণে আশরাফুলের সঙ্গে দেশে-বিদেশে লেনদেন ছিল। বন্ধু জরেজ মিয়া মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে জাপানে যাওয়ার জন্য তার কাছে ২০ লাখ টাকা ধার চান।

আশরাফুলের বাবা আব্দুর রশিদ বলেন, “বুধবার রাত ৯টায় জরেজকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় যায় আমার ছেলে। এরপর আর কোনো খোঁজ নেই। লাশ পাওয়ার পর বুঝলাম, তার সঙ্গেই vesধারণ করতে হবে।”

নিহতের স্ত্রী লাকি বেগম জানান, “স্বামীর মোবাইল ফোন দিয়ে জরেজ আমাকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু স্বামীর অবস্থান বলেননি। তখনই সন্দেহ হয়।”

ডিবি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন হত্যা পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে এবং ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা আলামত বিশ্লেষণ করে ঘটনার রহস্য আরও স্পষ্ট হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত জরেজ ও শামীমাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। হত্যাকাণ্ডে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইএইচ

Link copied!