আমার সংবাদ ডেস্ক
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৫:৩৩ পিএম
রাজধানীসহ সারা দেশে জেঁকে বসা হাড়কাঁপানো শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঘন কুয়াশার চাদর আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত প্রকৃতিতে দেখা দিয়েছে সূর্যের তীব্র সংকট। তবে এই বৈরী আবহাওয়া থেকে কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদদের মতে, ভারতের উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা শীতল বায়ুর প্রভাবে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। তবে নতুন বছরের শুরুতেই এই কুয়াশা কিছুটা কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আগামী ১ জানুয়ারি থেকে দেশের কিছু কিছু অঞ্চলে রোদের দেখা মিলতে পারে এবং ২ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে পর্যাপ্ত সূর্যালোক পাওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। এতে তীব্র শীত থেকে কিছুটা নিস্তার পেতে পারে সাধারণ মানুষ।
তবে রোদের দেখা মিললেও শীতের এই দাপট খুব দ্রুত শেষ হচ্ছে না। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৫ জানুয়ারির পর দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে ফের তাপমাত্রা কমে গিয়ে শৈত্যপ্রবাহ ফিরে আসতে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শীতের প্রভাব আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের নিকলীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে রাজধানীসহ দেশের বড় শহরগুলোতে দিনের বেশিরভাগ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না, যা নিম্ন আয়ের ও ছিন্নমূল মানুষের ভোগান্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কিছু স্থানে দুপুর পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
জেএইচআর