ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশে উগ্রবাদী শক্তির কোনো জায়গা নেই

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ২, ২০২৬, ১২:১৭ এএম

বাংলাদেশে উগ্রবাদী শক্তির কোনো জায়গা নেই

বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের কোনো জায়গা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এ বিষয়ে সরকারের ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ (জিরো টলারেন্স) নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে উগ্রবাদী শক্তিকে কখনোই কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

১০ বছর আগে রাজধানীর গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের স্মরণে বুধবার এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকায় ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর বাসভবনে এই স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক, ধর্মীয়, আদর্শিক বা অন্য কোনো অজুহাতেই সন্ত্রাসবাদকে কখনো ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সর্বক্ষেত্রে মোকাবিলায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, দশ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু সেই রাতের ক্ষত এখনো আমাদের জাতীয় চেতনা থেকে মুছে যায়নি। ২০১৬ সালের ১ জুলাইয়ের সেই মর্মান্তিক হামলা আমাদের ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে কূটনৈতিক কোরের ডিন ও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান, ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপপ্রধান আলবার্ট সিয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়ে নিহতদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার শাখার প্রধান লরা স্কেলা নিহতদের নাম পাঠ করেন এবং তাঁদের স্মরণে সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

স্মরণ সভায় ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, নৃশংস ওই ঘটনা বাংলাদেশে থাকা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ওপর বড় রকমের প্রভাব ফেলেছিল। ওই সন্ত্রাসী হামলা ২৪ জন নিরপরাধ মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে, যাঁরা বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে রাজধানীর গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ হামলা চালায় পাঁচ জঙ্গি। প্রায় ১২ ঘণ্টাব্যাপী চলা সেই জিম্মি সংকটে নয়জন ইতালীয়, সাতজন জাপানি, একজন ভারতীয় এবং তিনজন বাংলাদেশিসহ মোট ২০ জন দেশি-বিদেশি নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। জিম্মিদের উদ্ধারে গিয়ে জঙ্গিদের বোমা বিস্ফোরণে নিহত হন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। পরদিন ভোরে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ অভিযানের মাধ্যমে পাঁচ হামলাকারী নিহত হয় এবং ১৩ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

জেএইচআর

Link copied!