ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

নতুন ২ নদীবন্দর ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ১০, ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম

নতুন ২ নদীবন্দর ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

দেশের উত্তরাঞ্চলে নৌযোগাযোগ আরও শক্তিশালী করতে যমুনা নদীর তীরে দুটি নতুন নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার। নতুন বন্দর দুটির মাধ্যমে যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ, নৌপথ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নদীকেন্দ্রিক অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বুধবার (৮ জুলাই) পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন নদীবন্দর দুটির সীমানা নির্ধারণ করেছে। একই সঙ্গে বন্দর দুটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন ঘোষিত নদীবন্দর দুটি হলো বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি নদীবন্দর এবং বগুড়া-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের ধুনট নদীবন্দর।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, Port Act, 1908 এর ধারা ৪ এর উপধারা (১) এর দফা (ক) এবং উপধারা (২) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে দুটি নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে নির্ধারিত এলাকায় সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান কার্যকর হবে।

সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের উত্তর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের দিঘাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরের কাজলা ইউনিয়নের জামথল ঘাট পর্যন্ত। দক্ষিণ সীমানা বিস্তৃত হয়েছে কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরের নারপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত।

অন্যদিকে ধুনট নদীবন্দরের উত্তর সীমানা শুরু হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট এলাকা থেকে। দক্ষিণ সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তেকুরিয়া হাটসংলগ্ন যমুনা নদী হয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভাতরবাড়ি ইউনিয়নের চৌবার মৌজার বেশাঘীর চর পর্যন্ত।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, উভয় নদীবন্দরের ক্ষেত্রে যমুনা নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরাকালের সর্বোচ্চ পানির সমতল থেকে স্থলভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরের সীমানার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের আওতায় দিঘাপাড়া, কালিতলা, মধুরাপাড়া, জামথল ও সোনাদগা ঘাটসহ বিদ্যমান খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একইভাবে ধুনট নদীবন্দরের অধীনে চন্দনবাইশা, শাহরাবাড়ি ঘাটসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার বিদ্যমান খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নৌপথ উন্নয়ন, জেটি নির্মাণ, অন্যান্য বন্দর অবকাঠামো স্থাপন এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনে নির্ধারিত বন্দরসীমার মধ্যে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বা কার্যক্রম থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।

এম জি

Link copied!