ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

জামায়াতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের মতভেদ নিয়ে যা বললেন ফয়জুল করীম

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জানুয়ারি ২, ২০২৬, ০১:২৮ পিএম

জামায়াতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের মতভেদ নিয়ে যা বললেন ফয়জুল করীম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ জানুয়ারি হলেও ১১ দলীয় জোটের ভেতরে এখনো আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মধ্যে মতপার্থক্য জোটের ভেতরে টানাপোড়েন তৈরি করেছে।

জোটসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগ পর্যন্ত আসন বণ্টন নিয়ে একাধিক দফা আলোচনা হলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি। যদিও ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে অধিকাংশ শরিক দলের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নির্ধারিত হয়।

সূত্র অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী মোট ১৯০টি আসনে প্রার্থী দিতে সম্মত হয়েছে এবং ১১০টি আসন শরিকদের জন্য ছেড়ে দেয়। শরিকদের মধ্যে খেলাফত মজলিশ পাচ্ছে ১৫টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ১০টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি, জাগপা ৩টি, খেলাফত আন্দোলন ৪টি এবং নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত করা হয় ৩৫টি আসন। নতুনভাবে জোটে যোগ দেওয়া এনসিপিকে ৩০টি, এলডিপিকে ৩টি এবং লেবার পার্টিকে ৩টি আসন দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

তবে এই ৩৫ আসনের প্রস্তাব মানতে রাজি হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি ২৭২টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে এবং ন্যূনতম ১২০টি আসনের দাবি জানিয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম প্রকাশ্যে দাবি করেন, দলটির সাংগঠনিক শক্তি অনুযায়ী তারা ১৪৩টি আসনের যোগ্য।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বক্তব্য উদ্ধৃত করে এমন মন্তব্যও ছড়িয়েছে যে, সম্মানজনক আসন না পেলে জামায়াতকেই জোট থেকে বাদ দেওয়ার প্রশ্ন উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, জোট গঠনে ইসলামী আন্দোলনের ভূমিকা রয়েছে এবং জামায়াত এককভাবে অধিক আসন দাবি করতে পারে না।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, আসন বণ্টন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে তাদের মতানৈক্য রয়েছে, তবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। তিনি অভিযোগ করেন, নতুন করে জোটে যুক্ত এনসিপিসহ কয়েকটি দলের সঙ্গে ৮ দলের কোনো বৈঠক হয়নি; আলোচনা হয়েছে কেবল জামায়াতের সঙ্গে, যা জোটের কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রংপুরে এক নির্বাচনি সভায় বলেন, জোটের ভেতরে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত আসন সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদী।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার-মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব যোবায়ের বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পর্যন্ত আলোচনার সুযোগ রয়েছে। তিনি জানান, এখনই লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক না থাকলেও সমঝোতা ব্যর্থ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। জোটের বাইরে গেলে কী পরিণতি হতে পারে, তা সবাই জানে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

১১ দলীয় জোটের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যেসব দল কখনো সংসদে একটি আসনও পায়নি, তারা দেড়শর কাছাকাছি আসন দাবি করছে—এটি বাস্তবসম্মত নয়। তিনি বলেন, জোট রাজনীতিতে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হয় এবং ইসলামী আন্দোলন শেষ পর্যন্ত সে পথেই ফিরবে বলে তার বিশ্বাস।

এএন

Link copied!