ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

একাত্তর নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের প্রতিবাদ ৭০ মুক্তিযোদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১০:০৬ এএম

একাত্তর নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের প্রতিবাদ ৭০ মুক্তিযোদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদে একাত্তর নিয়ে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপির সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ। সংগঠনটির দাবি, তার মন্তব্য শুধু আপত্তিকরই নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

বুধবার সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন এবং সেক্রেটারি জেনারেল বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তাজিরুল ইসলামের সই করা এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। এতে পরিষদের আরও ৭০ জন সদস্য স্বাক্ষর করেছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যে সংসদেও আক্রমণাত্মক ভাষার ব্যবহার উদ্বেগজনক। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী ও বিরোধীদলীয় নেতৃত্বকে ঘিরে ফজলুর রহমানের মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধারা তাদের বিবৃতিতে ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক পটভূমির মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। স্বাধীনতার পরও অনেক মুক্তিযোদ্ধা ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়েছেন, যা তাদের সাংবিধানিক অধিকার।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ফজলুর রহমানের অতীত ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কিশোরগঞ্জের কোম্পানি কমান্ডার আইয়ুব বিন হায়দারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, প্রশিক্ষণ নিলেও তিনি সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেননি এবং কোম্পানি কমান্ডার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেননি।

মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ স্পষ্ট করে জানায়, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা গ্রহণযোগ্য নয়। “মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের কেউ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে থাকতে পারবে না”- এমন মন্তব্যকে তারা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন।

একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যক্তিগত বা দলীয় আক্রমণাত্মক বক্তব্য পরিহারের আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে। তারা বলেন, সংসদ আইন প্রণয়ন ও জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গা, এখানে শালীনতা বজায় রাখা জরুরি।

শেষাংশে মুক্তিযোদ্ধারা রাজনৈতিক বিভাজন কমিয়ে ঐক্যের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার আহ্বান জানান। তারা বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা ও সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক হবে। অন্যথায় দেশ পুনরায় স্বৈরাচারী শাসনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তারা।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন পরিষদের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফজলুল হক, সহসভাপতি আবদুল ওয়ারেছ, ডা. আলতাফ হোসেন, মো. শাহাবুদ্দিন, মতিউর রহমানসহ আরও অনেকে।

এএন

Link copied!