ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

জুমার দিন যে সময়ের দোয়া দ্রুত কবুল হয়

ধর্ম ডেস্ক

ধর্ম ডেস্ক

জুন ১৯, ২০২৬, ১২:২০ পিএম

জুমার দিন যে সময়ের দোয়া দ্রুত কবুল হয়
সংগৃহীত ছবি

ইসলামে জুমার দিন বা শুক্রবারকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন ও গরিবের হজের দিন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এতে এমন একটি মহামূল্যবান সময় রয়েছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা-ই প্রার্থনা করে, তা-ই কবুল হয়।

পবিত্র কোরআনের সূরা জুমুআয় এই দিনের গুরুত্ব স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামিন স্পষ্ট করেছেন। জুমার আজান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পার্থিব ব্যস্ততা বন্ধ করে আল্লাহর স্মরণের দিকে ছুটে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইসলামে।

হাদিস শরিফে এই দিনের দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্তটির ব্যাপারে অত্যন্ত জোরালো বর্ণনা এসেছে। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, কোনো মুসলিম বান্দা যদি সেই সময় নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে কোনো কল্যাণ প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ অবশ্যই তার সেই প্রার্থনা কবুল করেন।”

রাসূলুল্লাহ (সা.) তার হাতের ইশারায় বুঝিয়েছিলেন যে, এই সময়টি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। তবে এই সংক্ষিপ্ত ও মহামূল্যবান সময়টি ঠিক কখন, তা নিয়ে ইসলামী গবেষক ও ফকিহদের মধ্যে দুটি প্রধান মত রয়েছে।

প্রথম মত অনুযায়ী, জুমার নামাজে ইমাম যখন মিম্বারে বসেন, সেই সময় থেকে শুরু করে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়টুকুর মধ্যেই এই বিশেষ মুহূর্তটি লুকিয়ে আছে। হযরত আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এই সময়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় এবং অধিকাংশ সাহাবি ও আলেমের মতে, জুমার দিনের সবচেয়ে নিশ্চিত দোয়া কবুলের সময়টি হলো শুক্রবার আসরের পর থেকে মাগরিবের আগ পর্যন্ত, বিশেষ করে সূর্যাস্তের ঠিক আগের মুহূর্তটুকু। হযরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “জুমার দিনের ১২টি ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন কোনো মুসলমান আল্লাহর কাছে কিছু চাইলে তিনি তা দান করেন। তোমরা আসরের শেষ সময়ে সেই মুহূর্তটি অনুসন্ধান করো।”

তাই জুমার দিনের এই অফুরন্ত নিয়ামত ও বরকত লাভ করতে প্রত্যেক মুসলমানের উচিত পুরো দিনটি ইবাদতে কাটানো। বিশেষ করে আসরের নামাজের পর জিকির, ইস্তিগফার ও দুরুদ পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করা, যেন সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তটিতে দোয়া কবুলের সৌভাগ্য নসিব হয়।

এএন

Link copied!